লা লিগার মৌসুম শেষ হতে এখনো ঢের সময় বাকি। তবে এরই মধ্যে লীগ উত্তেজনা প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলাই যায়। কেননা চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যে ব্যবধান বেড়ে সাত পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শনিবার রাতে অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বার্সেলোনা ২-১ গোলে হারিয়ছে আতলেতিকো মাদ্রিদকে। একই রাতে অ্যাওয়েতে রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ গোলে মায়োর্কার কাছে হেরে গেছে।
ব্যবধান ৭ পয়েন্টের
আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জয়ের ফলে ৩০ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭৬। মায়োর্কার কাছে হার রিয়াল মাদ্রিদকে শিরোপা লড়াই থেকে অনেকটা ছিটকে দিয়েছে। সমান ম্যাচ থেকে রিয়াল মাদ্রিদের সংগ্রহ ৭৬ পয়েন্ট। আর মাত্র আটটি করে ম্যাচ বাকি। ফলে ছয় ম্যাচ থেকে পূর্ণ পয়েন্ট পেলেই বার্সেলোনার শিরোপা নিশ্চিত হবে।
দুর্ভাগ্য রিয়াল মাদ্রিদের
রেলিগেশন আতঙ্কে থাকা মায়োর্কার বিপক্ষে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল শিরোপা প্রত্যাশী রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু ইনজুরি সময়ে মায়োর্কার ভেদাত মুরিকি গোল করলে রিয়াল মাদ্রিদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। কেননা বার্সেলোনা সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোর যে সুযোগ ছিল তা হাতছাড়া হয়ে যায় তাদের। ৮৮ মিনিট পর্যন্ত সমতায় থাকা ম্যাচে হেরে যায় তারা।
অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ সময়ে মায়োর্কা রিয়াল মাদ্রিদকে প্রথম ধাক্কাটা দেয়। ৪১ মিনিটে মানু মোরলানেস গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এই ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ৮৮ মিনিটে এদের মিলিতাওয়ের গোলে রিয়াল মাদ্রিদ সমতায় ফেরায়। কিন্তু তাদের এই উচ্ছ্বাস স্থায়ী হয়নি। ইনজুরি সময়ের প্রথম মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদকে হতভম্ব করে দেয় মুরিকির গোল।
বার্সেলোনার ঘুরে দাঁড়ানোর
মাঠে নামার আগেই একটা সুখবর পেয়েছিল বার্সেলোনা। চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ তাদের ম্যাচে হেরে গেছে। এই স্বস্তির খবরে তারা একটু হয়তো ম্যাচ জয়ের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল। তাইতো ম্যাচে বড় একটা ধাক্কা সামাল দিতে হয়েছে। গুইলিয়ানো সিমেওনের গোল থমকে দিয়েছিল বার্সেলোনার সমর্থকরদের। তবে খুব বেশি সময় তাদেরকে অস্বস্তিতে ভুগতে হয়নি। ৩৯ মিনিটে গোল হজমের মাত্র তিন মিনিট পর মার্ক রাশফোর্ডের গোলে শিরোপা প্রত্যাশী দলটি খেলায় ফিরে আসে।
বার্সেলোনার স্বস্তি
প্রথমার্ধে বার্সেলোনা শুধু সমতায় ফেরানোর স্বস্তি নয়, আরও বেশি কিছু নিয়ে বিরতিতে যায়। বিরতির বাঁশি বাজার আগে আতলেতিকো মাদ্রিদ ১০ জনের দলে পরিণত হয়। নিকোলাস গঞ্জালেস প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের সপ্তম মিনিটে লাল কার্ড দেখেন। একজন বেশি নিয়ে খেলেও বার্সেলোনাকে জয়ের জন্য ৮৭তম মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।রবার্ট লেফানদোভস্কির গোলে জয় নিশ্চিত হয় তাদের। সে সঙ্গে শিরোপা জয়ের পথে অনেকটা পথ এগিয়ে যায় তারা।
