লামিনে ইয়ামালের একমাত্র গোলে লা লিগায় বার্সেলোনা শনিবার ১-০ গোলে আথলেতিক বিলবাওকে হারিয়েছে। এ জয়ের সুবাদে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষস্থানও পোক্ত করেছে শিরোপা প্রত্যাশী দলটি। ৬৮ মিনিটে ইয়ামাল একমাত্র গোলটি করেন।
এ জয়ের ফলে ২৭ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬৭। চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ থেকে দলটি চার পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৬৩। তৃতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের সংগ্রহ ৫৪। অন্যদিকে আথলেতিক বিলবাও ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে।
অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বার্সেলোনাকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। স্বাগতিক দল একের পর এক আক্রমণ রচনা করে বার্সেলোনাকে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছিল। শেষ পর্যন্ত ইয়ামাল গোল করে বার্সেলোনার জয় নিশ্চিত করে। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে আগের ম্যাচেও জয়ের নায়ক ছিলেন ইয়ামাল। ৪-১ গোলের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। এবার করলেন একমাত্র গোলটি। গত দুই ম্যাচের গোলের মাঝ দিয়ে ইয়ামাল বার্সেলোনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন।
ঘরোয়া লিগে ইয়ামালের গোলের সংখ্যা ১৪। সব মিলিয়ে এ মৌসুমে ১৯তম গোল করেছেন এদিন। এর মাধ্যমে তিনি গত মৌসুমের গোলসংখ্যাকে টপকে গেছেন। লা লিগায় বর্তমানে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার তালিকায় তিনি তিনে রয়েছেন। সবার উপরে রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার গোলের সংখ্যা ২৩। দ্বিতীয় স্থানে আছেন মায়োর্কার ভেদাত মুরিকি। ১৮ গোল তার।
বার্সেলোনার জন্য এটা কঠিন এক ম্যাচ ছিল। কোপা দেল রে থেকে বিদায়ের পর এটা ছিল বার্সেলোনার প্রথম ম্যাচে। আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ফিরতি লেগে বার্সেলোনা জয় পেলেও গোল গড়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ে তারা।
এ ম্যাচে বার্সেলোনা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক নিয়মিত একাদশের একাধিক খেলোয়াড়কে বাইরে রেখেছিলেন। আগামী মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারেননি। পেদ্রি, রাফিনহা, ফেরমিন লোপেজ সাইড বেঞ্চ এনে মাঠে নামিয়ে দেন।
এদিকে আতলেতিকে মাদ্রিদও পেয়েছে কষ্টার্জিত জয়। তারা নিজেদের মাঠের খেলায় রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে। আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে নিকোলাস গঞ্জালেস জোড়া গোল করেন। আলেক্সান্ডার সোরলোথ করেন অন্য গোল।
নিজেদের মাঠের খেলা সত্ত্বেও শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছিল আতলেতিকো মাদ্রিদ। মাত্র ৯ মিনিটের মধ্যে উভয় দল একটি করে গোলের দেখা পায়। ৬৭ মিনিটে আতলেতিকো মাদ্রিদ আবার এগিয়ে গেলেও তা ধরে রাখতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে সোসিয়েদাদ গোল পরিশোধ করে। ৮১ মিনিটে মাদ্রিদের গোল আর পরিশোধ করতে পারেনি সোসিয়েদাদ।
