আগের দিন প্রতিপক্ষকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। পরের দিন অর্থাৎ রবিবার ম্যাচে চমক দেখালো বার্সেলোনা। নিজেদের মাঠের খেলায় সেভিয়াকে তারা ৫-২গোলে হারিয়েছে। এ জয়ের ফলে সেভিয়ার বিপক্ষে হারের প্রতিশোধটা ভালোভাবেই নিয়েছে বার্সেলোনা। একই সঙ্গে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে তারা আবার চার পয়েন্টে এগিয়ে গেল।
বার্সেলোন এ জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহা। নু্য ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। শিরোপা প্রত্যাশী দলের হয়ে অন্য দুই গোল করেছেন ডানি ওলমো ও হোয়াও ক্যাসেলো। ওসো ও ডিব্রিল সো সেভিয়ার হয়ে ব্যবধান কমান।
এ জয়ের ফলে বার্সেলোনা রিয়াল মাদ্রিদ থেকে আবার ৪ পয়েন্টে এগিয়ে গেছে। ২৮ ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭০। অন্যদিকে সমান ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৬৬।
গত অক্টোবরে সেভিয়ার কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল বার্সেলোনা। ৪-১ গোলে হেরেছিল। এবার মধুর প্রতিশোধ দিয়ে সেভিয়ার জালে পাঁচ গোল দিয়েছে বার্সেলোনা।
দুই ইনজুরি সময়ে সেভিয়ার দুই গোল
বার্সেলোনার বিপক্ষে হার সত্ত্বেও দুই গোল পেয়েছে সেভিয়া। নাটকীয় বিষয় হচ্ছে সেভিয়া দুই গোল দুই অর্ধের ইনজুরি সময়ে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে ওসো গোল করেন। আর সো গোল করেন দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে।
বার্সেলোনা এ ম্যাচে লামিনে ইয়ামালকে ছাড়াই প্রথম একাদশ মাঠে নামিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে একাদশে পরিবর্তে এনে লামিনে ইয়ামালকে মাঠেন নামান কোচ। ম্যাচের বয়স তখন ৬৭ মিনিট। ইয়ামাল নামার পর বার্সেলোনা আর গোল করতে পারেনি, বরং দুই গোল হজম করেছে। বার্সেলোনা তাদের করা ৫ গোল করে ৬০ মিনিটের মধ্যে।
রাফিনহা প্রথমার্ধের নবম ও একুশতম মিনিটে জোড়া গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। দুটো গোলই করেন তিনি পেনাল্টিতে। দ্বিতীয়ার্ধে ৫১ মিনিটে গোল করে তিনি হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। রাফিনহার হ্যাটট্রিকতম অর্থাৎ তৃতীয় গোলের আগে ডানি ওলমো গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের হতাশা বাড়িয়ে দেন। ঘড়ির কাঁটায় ম্যাচের বয়স ৬০ মিনিট হতেই সেই হতাশা আরও বাড়ে রিয়াল সমর্থকদের। দলের হয়ে এ সময়ে পঞ্চম গোল করেন ক্যানসেলো।
এ ম্যাচের মাঝ দিয়ে দীর্ঘ ছয় মাস পর আবার বার্সেলোনার হয়ে মাঠে নেমেছেন গাবি। ইনজুরির কারণে এ স্প্যানিশ তারকা মাঠের বাইরে ছিলেন। ৮২ মিনিটে তিনি বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে আসেন।
