ঢেলে সাজানোর হচ্ছে এইচপি ইউনিট-বিসিবি

ঢেলে সাজানোর হচ্ছে এইচপি ইউনিট-বিসিবি

এবার এইচপি ইউনিট হবে নতুন রূপে। ছবি: সংগৃহীত

এইচপি ইউনিট হবে নতুন ধারায়

ঢেলে সাজানোর হচ্ছে এইচপি ইউনিট-বিসিবি , দেশে সব ধরনের ক্রিকেটারদের জন্য বিসিবির বিভাগ রয়েছে। অনূর্ধ্ব ১৭, ১৯, এইচপি বা ‘এ’ দল। তবে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের জন্য কোনো কিছু এখনও করে উঠতে পারেনি বিসিবি। এবার সেই পরিকল্পনার কথা জানালেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

গত শনিবার ১০ জানুযারি সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান,‘আমাদের যে রিজিওনাল সেন্টারগুলো শুরু করছি তার প্রথম উদ্যোগ সিলেটের। আপনারা জানেন মাত্র চারটা জেলা দিয়েই আমরা এই পাইলট প্রোগ্রামগুলো রান করছি এবং এখানে যদি আমরা ভুল করি সেখান থেকে শিখতে পারব। তবে দেশব্যাপী আমরা চেষ্টা করছি রিজিওনাল সেন্টারগুলো যত তাড়াতাড়ি আমরা তৈরি করতে পারি। এতে করে আমরা যেন প্রত্যেকটা ক্রিকেটারকে একচুয়ালি সুযোগ দিতে পারি যে কীভাবে বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার পথটা দেখানো যায়।

ঢেলে সাজানোর হচ্ছে এইচপি ইউনিট-বিসিবি । ছবি: সংগৃহীত

এছাড়া বিসিবি প্রধান বলেন,‘রাজশাহীতে ২৫টি স্কুল নিয়ে শুরু হয়েছে। বাট রাজশাহীর এটা সম্পূর্ণ পাইলটের উদ্যোগ এবং তাদের মানুষ প্রাধান্য পাচ্ছে, ক্রিকেট বোর্ডের সম্পৃক্ততা কম এখানে। বাট ক্রিকেট বোর্ডের উদ্যোগে যখন আমরা রাজশাহী জেলায় রিজিওনাল সেন্টারটা করব তখন আরও বড় হবে।

অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেট নিয়ে বিসিবি প্রধান জানান, ‘আমি যদি উপর থেকে দেখি আমাদের একটা প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দল আছে। জাতীয় দল টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে, টেস্ট এবং আমাদের যে টাইগার্স টিমটা বিভিন্ন ফরম্যাটে খেলার জন্য প্রিপারেশন নেয়। আমাদের একটা ‘এ’ টিম আছে। যারা জাতীয় দলের ঠিক নিচের টিম। আমাদের একটা হাই পারফরমেন্স টিম আছে। যেখানে ট্যালেন্টেড ক্রিকেটাররা আছে। বাট রিসার্চ করে আমরা দেখেছি যে অনূর্ধ্ব-১৯ এবং হাই পারফরমেন্সের মাঝে একটা বড় গ্যাপ।

বুলবুল আরও জানান, ‘আমরা অনূর্ধ্ব-২৩ একটা প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছি যেটার নাম হয়তো বাংলাদেশ একাডেমির আদলে থাকবে, যেখানে তারা কীভাবে মিডিয়া হ্যান্ডেল করতে হয়, কীভাবে ইন্টারভিউ করতে হয়, কীভাবে টাইম মানতে হয়, কীভাবে একজন ক্রিকেটার হওয়া যায় এসব শিখবে।

এ ছাড়া এইচপি ইউনিট ঢেলে সাজানোর কথাও বলেছেন বুলবুল, ‘হাই পারফরম্যান্সের ট্রেনিং ডিজাইনটা এমন হওয়া উচিত, যেখানে টিমের মেন্টাল অবস্থাটা হয়তো আর একটু উন্নত করা, ফার্স্ট বোলিং কিংবা স্পিন আর একটু বেটার খেলা নিয়ে কাজ করবে। এই যে ফাইন্ডিংসগুলো আছে তার আসল ট্রেনিং কিন্তু হাই-পারফরম্যান্সে হওয়া উচিত। যার মাধ্যমে ২০৩০-২০৩২ সালে বাংলাদেশ দলে খেলবে এমন খেলোয়াড় প্রস্তুত থাকবে।

Exit mobile version