আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমন অবস্থায় ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিশেষ করে এক পরিচালকের এ বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের পর শুরু হওয়া বিতর্ক ঘিরেই বিশ্বকাপ না খেললে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিসিবির বিবৃতি ।
বিশ্বকাপে অংশ না নিলে ক্রিকেটারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে কিনা এ নিয়ে বিসিবির পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম বলেন,
কেন? ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে, আমরা যে ওদের পেছনে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করছি, আমরা কি ঐ টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি? এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।
এ সময় তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ না খেললে বিসিবির ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। তিনি বলেন,‘এটা শুধুই ক্রিকেটারের পাওয়া। বোর্ডের লাভ-ক্ষতি নেই। অন্তত এই বিশ্বকাপের জন্য।’

এরপর রাতে বিসিবি বিবৃতিতে বলে,
কোনো মন্তব্য যদি অনুপযুক্ত, আপত্তিকর বা কষ্টদায়ক বলে বিবেচিত হয়, সেজন্য বোর্ড দুঃখ প্রকাশ করছে। এমন বক্তব্য বিসিবির মূল্যবোধ, নীতি কিংবা আনুষ্ঠানিক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। একই সঙ্গে এসব মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের প্রত্যাশিত আচরণবিধির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিবৃতিতে বিসিবি দাবি করে,
নির্ধারিত মুখপাত্র কিংবা মিডিয়া ও কমিউনিকেশনস বিভাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত বক্তব্য ছাড়া কোনো পরিচালক বা বোর্ড সদস্যের মন্তব্যের দায় বিসিবি নেয় না। অনুমোদিত চ্যানেলের বাইরে দেওয়া বক্তব্য ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়াও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটারদের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ বা বক্তব্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিসিবি অতীত ও বর্তমান সব ক্রিকেটারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সম্মান পুনর্ব্যক্ত করেছে। বোর্ড বলেছে, ক্রিকেটাররাই বাংলাদেশ ক্রিকেটের কেন্দ্রবিন্দু। তাদের অবদান, মর্যাদা ও কল্যাণ বিসিবির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
পেশাদারিত্ব, জবাবদিহি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে খেলাটির সব স্তরে ক্রিকেটারদের স্বার্থ রক্ষায় বিসিবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩














