বিদেশি লিগে খেলার বিষয়ে রশিদ-নবীদের লাগাম টানল বোর্ড। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নতুন নিয়ম, বছরে সর্বোচ্চ তিন বিদেশি লিগ খেলতে পারবেন ক্রিকেটাররা। এর পাশাপাশি তাদের অংশ নিতে হবে বোর্ডের নতুন পাঁচ দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগে, যা ২০২৬ সালের অক্টোবরের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হওয়ার কথা।
কাবুলে অনুষ্ঠিত এসিবির বার্ষিক সাধারণ সভায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তগুলোর একটি হিসেবে এই নিয়ম অনুমোদন দেওয়া হয়। বোর্ডের ভাষ্য অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সুস্থতা রক্ষাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।
সভা শেষে এসিবির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে,‘খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিদেশি লিগে অংশগ্রহণসংক্রান্ত একটি নতুন নীতি অনুমোদন করা হয়েছে। এখন থেকে তারা আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) পাশাপাশি বছরে কেবল তিনটি আন্তর্জাতিক লিগে খেলতে পারবেন। এতে কাজের চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং জাতীয় দলের জন্য সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে।’
এই সিদ্ধান্তের ফলে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন রশিদ খান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এই অলরাউন্ডার বর্তমানে বিশ্বের একাধিক লিগে নিয়মিত মুখ। তিনি এখন খেলছেন এসএ২০-তে এমআই কেপ টাউনের অধিনায়ক হিসেবে।
পাশাপাশি এমআই গ্রুপের আরও দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি, এমআই এমিরেটস (আইএলটি২০) ও এমআই নিউইয়র্ক (এমএলসি) এবং আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে মাঠে নামেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে রশিদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের লিগ বাছাইয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যা তাদের আয়েও প্রভাব ফেলতে পারে।
রশিদ ছাড়াও নূর আহমদ, মুজিব উর রহমান, মোহাম্মদ নবী, এএম গাজানফার ও রহমানউল্লাহ গুরবাজের মতো ক্রিকেটাররাও এই নীতির আওতায় পড়বেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে যাদের চাহিদা বিশ্বজুড়ে, তাদের অনেক লিগের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হতে পারে। এদিকে মাঠের ক্রিকেটেও ব্যস্ত সময় সামনে আফগানিস্তানের। তাদের পরবর্তী আন্তর্জাতিক সূচিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজ।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩











