১০ জনের ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হার

প্রীতি ম্যাচ

ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল এমবাপ্পের

ম্যাচের আগে কিলিয়ান এমবাপ্পের মাঠে নামা নিয়ে শঙ্কা ছিল। কিন্তু সব শঙ্কা উড়িয়ে মাঠে নামেন তিনি। শুধু তাই নয়, বৃহষ্পতিবার রাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোল করেছেন, দলও জয় পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের ফক্সবরোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৪০ মিনিটেরও বেশি সময় দশ জন নিয়ে খেলা ফ্রান্স ২-১ গোলে হারিয়েছে সর্বাধিকবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে।

সাবেক দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের এ লড়াই নিয়ে ফুটবল ভক্তদের আগ্রহের কমতি ছিল না। তবে ব্রাজিল ভক্তদের আত্মবিশ্বাসের একটু কমতি যে ছিল না, তা নয়। কেননা সাম্প্রতিক সময় তারা মোটেও স্বস্তির সময় পার করছে না। তাছাড়া নেইমার সমস্যা তো রয়েছেই। ইনজুরির কারণে তিনি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে থাকতে পারবেন কিনা, কোচ তাকে বাইরে রেখে দল সাজনোর চাপ সহ্য করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে জটিলতা কম নয়।

এমবাপ্পের গোল

আধাঘন্টা সময় উভয় দল নিজেদের জাল ভালোভাবেই অক্ষত রাখে। ৩২ মিনিটে প্রথমবারের মতো দর্শকেরা গোল দেখতে পায়। এ সময়ে উসমান দেম্বেলের এক থ্রুতে বল ধরে আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দেন ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ও ২০২২ সালের গোল্ডেন বুট জয়ী এমবাপ্পে।

গোলের পর এমবাপ্পেকে ঘিরে ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের উল্লাস

এক গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ঘটে বড় এক অঘটন। আর তাতেই ফ্রান্সের ভক্তরা একটু থমকে যায়। ৫৫ মিনিটে দায়োত উপামেকানো নিয়ম বহির্ভূত খেলা খেলে লাল কার্ড দেখে বহিষ্কৃত হন। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্রান্স। প্রতিপক্ষের তুলনায় একজন বেশি নিয়ে খেলেও ব্রাজিল পেরে ওঠেনি। একজন বেশি নিয়ে খেলার সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর ব্রাজিল।

একজন কম নিয়ে থাকার কারণে ফ্রান্স দমে যাওয়ার বদলে আরও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তার সুফলও তারা ঘরে তোলে ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করে। উগো একিতিকে গোল করে ম্যাচটা অনেকটাই একপেশে করে দেন। ৭৮ মিনিটে ব্রেমে একটা গোল করে ব্যবধান কমালেও হার এড়ানোর জন্য যথেষ্ঠ ছিল না।

কলাম্বিয়ার বিপক্ষে ফ্রান্সের ম্যাচ

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত মিশনে নামার আগে ফ্রান্স আরও তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেল। এ সব ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কলাম্বিয়া, আইভরি কোস্ট। অন্য ম্যাচের প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কলাম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি ২৯ মার্চ। পরবর্তী দুই ম্যাচ ৪ ও ৬ জুন।

Exit mobile version