তদন্ত কমিটিতে লিখিত জবাব দিলেন বুলবুল । বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে নেমেছে এনএসসির ৫ সদস্যের কমিটি। যেখানে ধারাবাহিকভাবে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সাবেক-বর্তমান অন্তত ৩০ জন পরিচালক। তালিকায় আছেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ সভাপতি ফারুক আহমেদও।
বিসিবির সহসভাপতি ফারুক সরাসরি উপস্থিত থেকে তদন্ত কমিটির নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। তবে বুলবুল নিজের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ই-মেইলের মাধ্যমে। তবে ঈদের ছুটি কাটাতে বেশ আগেভাগেই পরিবারের কাছে অস্ট্রেলিয়া যান বুলবুল।
অবশেষে গত ২৮ মার্চ দেশে ফিরে ২৯ মার্চই মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে আসেন সাবেক এই ক্রিকেটার। ৭ পরিচালক নিয়ে করেছেন জরুরি বৈঠকও। এর মধ্যেই জানা গেলো চলমান তদন্তেও অংশ নিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তবে সশরীরে নয় বরং ই-মেইল ব্যবহার করেই নিজের অবস্থান জানিয়েছেন বুলবুল।
এদিকে সহ সভাপতি ফারুক আহমেদের আগে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনও সশরীরে হাজির হন তদন্ত কমিটির সামনে। নিজের অবস্থান জানিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কথা বলেছেন ফারুক। ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন নির্বাচনে কারচুপির সুযোগ ছিল না।
এর আগে গত সোমবার (৩০ মার্চ) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফারুক যেমনটা বলছিলেন, ‘আমি বলেছি নির্বাচনে তো এখানে কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। সুতরাং এখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কেমনে থাকবে? এখানে ভোটার ছিল ৭৬ জন, ৪২ ভোট কাস্ট হয়েছে এবং আমি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছি।
এছাড়া ফারুক বলেন,‘ সুতরাং ওখানে ৩৪ ভোট নাই। যেহেতু প্রতিপ্রক্ষ ছিল না ওইখানে ম্যানিপুলেশনের সম্ভাবনা কম থাকে, নাই বললেই চলে। আমার মনে হয় ভোটাভুটি যেটা হয়েছে ঠিকই হয়েছে।
তদন্তে এনএসসি কমিটি
উল্লেখ্য, গত বছরের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবির আলোচিত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ করে আসছে বিভিন্ন ক্লাব এবং জেলা ও বিভাগের সংগঠকদের একটি অংশ। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১১ মার্চ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান তার প্রধান।
তদন্ত চলমান অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কৌতূহল এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করাটাই স্বাভাবিক তাঁর জন্য। তবে তদন্ত কমিটির প্রধান বলেছেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে কাজ শেষ করার আশা করছেন তিনি। কমিটি এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ২৫-২৬ জনের সঙ্গে কথা বলে ফেললেও সামনের সপ্তাহখানেক সময়টা তাদের জন্য হয়ে উঠতে পারে অতি গুরুত্বপূর্ণ।
