নাটকীয় ফাইনালে মরক্কোকে স্তদ্ধ করে চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল ,আফ্রিকান মহাদেশের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব আবার উদ্ধার করেছে সেনেগাল। রবিবার রাতে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে তারা স্বাগতিক দলকে হারিয়ে উদ্ধার করেছে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের শিরোপা। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন সেনেগালের পেপে গুয়ে।
গত তিন আসরের মধ্যে এবার নিয়ে সেনেগাল দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করলো। এছাড়া গত চার আসরের মধ্যে এটা ছিল তাদের তৃতীয় ফাইনাল। এর আগে দেশটি ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয় করেছিল। সেবার খেলা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। মিসরকে হারিয়েছিল ৪-২ ব্যবধানে।
সেনেগালের এ সাফল্যে স্বাগতিক দলের শিরোপা জয় করতে না পারার অপেক্ষার প্রহার আরও দীর্ঘ হলো। ১৯৭৬ সালে প্রথম এবং শেষবারের মতো মরক্কো আফ্রিকান নেশনস কাপের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছিল। তারপর পার হয়েছে অর্ধশতাব্দি সময়। কিন্তু মরক্কোর অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হয়নি।
রবিবার রাতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি ছিল বেশ উত্তেজনায় ভরপুর। বিতর্ক যেমন ছিল তেমনি ছিল সংঘাত। ইনজুরি সময়ের রেফারির এক সিদ্ধান্তকে ঘিরে সেনেগালের সমর্থক এবংমরক্কোর কর্তৃপক্ষ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। বাদ যায়নি খেলোয়াড়রাও। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
দূর্ভাগ্য মরক্কোর। ম্যাচের ভাগ্যটা ভিন্ন হতে পারতো। কিন্তু মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজ তা নিজ হাতে যেন বিসর্জন দিয়েছেন। ইনজুরি সময়ের ২০তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন তিনি। তার শট সহজে ধরে নেন সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দ মেন্দি। মূলত এই সিদ্ধান্তের পর সংঘাত তৈরি হয়। খেলা বন্ধ থাকে ১৪ মিনিট।
গোলশূন্যভাবে শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা। অতিরিক্ত সময়ের চতুর্থ মিনিটে গোল পায় সেনেগাল। মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নেন সাদিও মানে। তিনি বল দেন ইদ্রিসা গানা গেইকে। সেখান থেকে বল পান পেপে গুয়ে। তিনি বল জড়িয়ে দেন জালে। তার গোলের পর স্তদ্ধ হয়ে যায় প্রিন্স মৌলাই আবদেল্লাহ স্টেডিয়াম। দর্শক ডুবে যান হতাশায়। ব্রাহিম দিয়াজকে পরবর্তীতে তুলে নেওয়া হয়।
