চেলসি – জাইমা রহমান ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চেলসি’র বয়স ভিত্তিক দলে জাইমা রহমানের খেলার সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে

চেলসি - জাইমা রহমান ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

চেলসি – জাইমা রহমান ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ এবং ইংল্যান্ডের ক্লাব চেলসির বয়সভিত্তিক দলে জাইমা রহমানের খেলার সুযোগ পাওয়া নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে নিজের বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে দাবি করে বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

প্রকৃত ঘটনা

তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বক্তব্য আংশিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা পুরো ঘটনার সঠিক প্রতিফলন নয়। প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেন। আমিনুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী,

জাইমা রহমান লন্ডনে স্কুলে পড়ার সময় নিয়মিত ফুটবল খেলতেন এবং সেই সময়েই তিনি গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্কুল পর্যায়ের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে তার খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

দেশের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে পরিচিত আমিনুল হক জানান,

জাইমার গোলকিপিং করার বিষয়টি তিনি সরাসরি তারেক রহমানের কাছ থেকেই শুনেছেন। তিনি বলেন, “জাইমা ছোটবেলায় স্কুলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলত-এই তথ্যটি আমি তারেক রহমানের মুখ থেকেই জেনেছি।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন,

জাইমা রহমানের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ থাকলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে পড়াশোনায় বেশি মনোযোগ দিতে উৎসাহিত করা হয়েছিল।

আমিনুল হক আরও বলেন, জাইমা রহমানের সঙ্গে তার একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিও রয়েছে, যা তিনি এই প্রসঙ্গে তুলে ধরেন। সম্প্রতি জাইমা মিরপুরে একটি ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে গেলে তাদের মধ্যে আলাপ হয়। সেই সময় জাইমা তাকে বলেন,

“আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।”

এই কথোপকথনের মাধ্যমে বোঝা যায়, তিনি স্কুল পর্যায়ে গোলকিপিং করতেন এবং এই পজিশনে তার আত্মবিশ্বাসও ছিল।

প্রতিমন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলেন,

ইউরোপীয় দেশগুলোতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সেখানে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পায়। জাইমা রহমানও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। তিনি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং স্কুলে ফুটবল খেলতেন। তবে শেষ পর্যন্ত পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি একাডেমিক শিক্ষাকেই প্রাধান্য দেন।

সবশেষে আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন,

তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, সেটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি কেবল একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং শোনা তথ্য তুলে ধরেছিলেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। তাই বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে তিনি এই ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

Exit mobile version