বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রাজশাহীকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ মিরপুরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে তারা ৬ উইকেটে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে দেয়। তবে রাজশাহীর এখনও সুযোগ আছে। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সকে হারাতে হবে।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী প্রথম থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে। চট্টগ্রামের বোলিং দাপটে ১৬.২ ওভারে ৯৮ রানে হারিয়ে ফেলে ৭ উইকেট। তবে আব্দুল গাফফার সাকলাইন মাত্র ১৫ বলে ২ চার, ৩ ছক্কায় ৩২ রান করেন।

২০ ওভারে ১৩৩ রানে থামে রাজশাহী। তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৩ চার, ১ ছয়ে ৪১ ও সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২ চার, ১ ছয়ে ২১ রান করেন। শেখ মেহেদি হাসান ও আমের জামাল ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে নেমে মন্থর গতির উইকেটে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রামকে নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ ৬৪ রানের জুটি উপহার দেন। ৩৮ বলে ৩ চারে ৩০ রানে বিদায় নেন নাঈম। তবে গাফফার দুর্দান্ত বোলিং করেন।
৩৪ রানের জুটি গড়ে হাসান নওয়াজ ১৪ বলে ২ ছক্কায় ২০ রানে সাজঘরে ফেরেন। আর ওপেনার মির্জাকে সাজঘরে ফেরান বিনুরা ফার্নান্দো।
মির্জা ৪৭ বলে ৪ চারে ৪৫ রানে আউট হলে শেষ ওভারে ৯ রান প্রয়োজন পড়ে চট্টগ্রামের। রিপন মণ্ডলকে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে স্কোর সমান করেন শেখ মেহেদি। অবশেষে ১৯.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৪ রান করে জয় পায় চট্টগ্রাম।

৯ বলে ২ ছক্কায় ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন শেখ মেহেদি। গাফফার ২৭ রানে নেন ২ উইকেট। প্রাথমিক রাউন্ডে দুই দলই পরস্পরকে একবার হারিয়েছিল। তবে ১০ ম্যাচে ৮টি জিতে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল রাজশাহী। ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিল চট্টগ্রাম।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স- ১৩৩/১০; ২০ ওভার (তানজিদ ৪১, গাফফার ৩২, সাহিবজাদা ২১; শেখ মেহেদি ২/২০, জামাল ২/২৭, নওয়াজ ১/৩, শরিফুল ১/২০)।
চট্টগ্রাম রয়্যালস- ১৩৪/৪; ১৯.৩ ওভার (মির্জা ৪৫, নাঈম ৩০, নওয়াজ ২০, শেখ মেহেদি ১৯*; গাফফার সাকলাইন ২/২৭, বিনুরা ১/২৪)।
ফল : চট্টগ্রাম রয়্যালস ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : শেখ মেহেদি হাসান
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















