টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভূক্ত করেছে আইসিসি। প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কট করেছে পাকিস্তান । তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে (পিসিবি) ম্যাচটি খেলাতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে আইসিসি। সেজন্য পিসিবি বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ তিনটি শর্ত দিয়েছে। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এককভাবে কোনো দেশকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া অসম্ভব।
পাকিস্তানকে গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলানোর জন্য সম্ভবপর সকল প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে আইসিসি। কারণ, ম্যাচটি না হলে বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি হবে আইসিসি ও ম্যাচটির আয়োজক শ্রীলঙ্কা বোর্ডের। ইস্যুটি নিয়ে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে চার ঘণ্টা দীর্ঘ এক বৈঠক হয় আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির মধ্যে।
বৈঠক শেষে কোনো যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ডন-এর প্রতিবেদনে পিসিবির একাধিক সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার আগে পাকিস্তান সরকারের অনুমোদন নেওয়া হবে। ভারতের গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, পিসিবি আইসিসির কাছে তিনটি প্রধান দাবি উত্থাপন করেছে।
প্রথমত, বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের জন্য অংশগ্রহণ ফি নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে কোনো আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক হওয়ার অধিকার দিতে হবে বাংলাদেশকে।
কিন্তু আইসিসির পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে আলাদা কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানানো হয়েছে। তবে আইসিসির আয় থেকে বাংলাদেশকে তাদের পূর্ণ অংশ নিশ্চিত করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা পিসিবিকে পরামর্শ দিয়েছেন, তারা চাইলে বিষয়টি আইসিসির আরবিট্রেশন কমিটিতে তুলতে পারে অথবা বোর্ড সভায় আলোচনা করতে পারে। তবে ক্রিকেটের স্বার্থে দ্রুত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করাই যুক্তিযুক্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
টুর্নামেন্ট শুরুর ১০ দিনেরও কম সময় আগে পিসিবি আইসিসিকে ইমেইলে জানিয়েছিল, সরকারের নির্দেশেই তারা ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আইসিসি পিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছে, ম্যাচ না হলে সংস্থাটির বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি গুরুতর হলে আইসিসির হাতে সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩















