সেমিতে নিউজিল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন ডু প্লেসিস

সেমিতে নিউজিল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন ডু প্লেসিস

South Africa's captain Aiden Markram (R) is congratulated by his New Zealand counterpart Mitchell Santner for his team's win at the end of the 2026 ICC Men's T20 Cricket World Cup group stage match between New Zealand and South Africa in the Narendra Modi Stadium, Ahmedabad on February 14, 2026. (Photo by Shammi MEHRA / AFP via Getty Images)

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখছেন ফাফ ডু প্লেসিস। প্রথম সেমিফাইনালে আজ ভারতে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। তার আগে ডু প্লেসির মতে, এই টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকা নিখুঁত খেললেও মানসিকভাবে এগিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মুখোমুখি হবে দুই দল। এই ম্যাচ ঘিরে স্মৃতির পাতাও উল্টে যাচ্ছে। কারণ, বিশ্বকাপের নকআউট মানেই দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য নিউজিল্যান্ড এক ধরনের দুঃস্বপ্ন। ২০১১ সালের কোয়ার্টার ফাইনাল আর ২০১৫ সালের হৃদয়ভাঙা সেমিফাইনাল, দুবারই কিউইদের কাছে হেরেছিল প্রোটিয়ারা।

সেই ইতিহাস থেকেই সেমিফাইনাল নিয়ে ডু প্লেসির মন্তব্য, ‘দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড আর বিশ্বকাপের নকআউট- এখানে মানসিক দিক থেকে এগিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড, এটা আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি।’

তবে বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার পারফরম্যান্সই তাকে আশাবাদী করছে। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে তারা অপরাজিত। টানা সাত ম্যাচ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আকাশছোঁয়া করে তুলেছে। এমনকি গত মাসে গ্রুপ পর্বে আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডকে সাত উইকেটে উড়িয়েও দিয়েছিল তারা।

এছাড়া ডু প্লেসির ভাষায়, ‘এই বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রায় নিখুঁত। তারা কোনো ছন্দ হারায়নি। বোলিং চলছে দারুণ। ব্যাটাররা রান পাচ্ছে। তাই তারা সেমিফাইনালে নামবে ভীষণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে।’

পরিসংখ্যানও প্রোটিয়াদের পক্ষেই কথা বলছে। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে আছেন তাদের দুই পেসার লুঙ্গি এনগিডি ও করবিন বশ। একজনের ঝুলিতে বারো উইকেট, অন্যজনের এগারো।

এর সঙ্গে আছেন দলটির প্রধান ভরসা কাগিসো রাবাদা এবং বাঁহাতি ভিন্নতা নিয়ে মার্কো ইয়ানসেন। স্পিন বিভাগে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন কেশব মহারাজ। ডু প্লেসিস মনে করেন, বোলিং বৈচিত্র্যের দিক থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ঝুলিতে প্রায় সব অস্ত্রই আছে।

বোলিং নিয়ে বলেন,‘ তাদের বোলিং ইউনিটে বৈচিত্র্যের কোনো ঘাটতি নেই। লম্বা বাঁহাতি পেসার আছে নতুন বলে আক্রমণের জন্য। বশ আছে হার্ড লেন্থে বল করার জন্য, বিশেষ করে ডেথ ওভারে খুব কার্যকর। রাবাদা নিজের স্কিলে যেকোনো পরিস্থিতিতে বল নাড়াতে পারে। আর কেশব মহারাজ পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই অসাধারণ। তিনি খুব কমই খারাপ দিন কাটান।’

তবে লুঙ্গি এনগিডির প্রশংসা করেছেন। ডু প্লেসিস বলেন, ‘বিশ্বকাপের শুরুতে হয়তো অনেকেই ভাবেনি এনগিডি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বোলার হয়ে উঠবে। কিন্তু সে দারুণ বিশ্বকাপ কাটাচ্ছে। এই চার পেসারের ভেতরে এনগিডি এখন দুর্দান্ত ছন্দে, আর রাবাদা তো রাবাদাই।’

Exit mobile version