ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগটা ছিল যেনো ইংলিশ ক্লাবের উল্লাসের। আর ইতালিয়ানদের জন্য হতাশার। অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরেছে বোলোনিয়া। আর ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে ফিওরেন্তিনা। নিজেদের মাঠের খেলায় ফিওরেন্তিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ক্রিস্টাল প্যালেস।
ক্রিস্টাল প্যালেসের হয়ে জা ফিলিপে মাতেতা, টাইরিক মিটচেল ও ইসমাইলা সার গোল করেন। দুটো গোল হয় প্রথমার্ধে আর অন্যটি ম্যাচের শেষ সময়ে।
গোলে মাতেতার ফেরা
ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার জা ফিলিপে মাতেতা ২৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে প্রথম গোলটি করেন। গত জানুয়ারির পর এই প্রথম প্রথম একাদশে ছিলেন এই ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার। মূলত ইয়রগেন স্ট্রান্ড লারসেনের পরিবর্তে মাঠে এসেছিলেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে এ ম্যাচে লারসেন ছিলে না।
পেনাল্টি থেকে করা মাতেতার গোলের সঙ্গে সঙ্গে ফিওরেন্তিনার রক্ষণভাগে বড় ফাটল ধরে। ফলে দ্বিতীয় গোল পেতে মোটেও দেরি করতে হয়নি ক্রিস্টাল প্যালেসকে। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে টাইরিক মিটচেল এ গোলটি করেন। এ গোলের মাঝ দিয়ে ক্রিস্টাল প্যালেস জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে যায়।
ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহুর্তে ক্রিস্টাল প্যালেস শেষ গোলটি পায়। ৯০ মিনিটের সময় ইসমাইলা সার করেন গোলটি।
মাতেতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ
মাতেতার জন্য এ ম্যাচটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্রিস্টাল প্যালেস ছেড়ে এসি মিলানে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তিনি। গত জানুয়ারি তার এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তাছাড়া গত মার্চে হাঁটুর ইনজুরি তাকে বেশ কাবু করে ফেলেছিল। সব ব্যর্থতা সামাল দিয়ে এ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
সমর্থকরাও তাকে ভালোভাবে মেনে নিয়েছিল। মাঠে নামার আগে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। মাতেতা তার জবাবও দিয়েছেন গোল করে। প্রথম ম্যাচের স্মৃতিটা মাতেতার জন্য ছিল মিশ্র। গোল করেছেন, তবে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়েছিলেন কোচ।
প্রথম গোলের সুযোগ
মাতেতা গোলের প্রথম সুযোগ পেয়েছিলেন সপ্তম মিনিটে। সতীর্থ মুনোজের কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি যে শট নিয়েছিলেন তা পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। এ সময়ে মাতেতার পাশাপাশি রবিন গোসেন্স এবং ইভান গুয়েস্যান্ডও গোলের সুযোগ পান। তবে উভয়ে সে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।
গোসেন্সের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। আর গুয়েস্যান্ডের শটের লক্ষ্য যে কি ছি তা তিনি ভালো বলতে পারেন। তার ভলি ছিল পুরোপুরি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট। একের পর এক ব্যর্থতার পর পেনাল্টি থেকে শুরু হয় ক্রিস্টাল প্যালেসের গোলের মিশন।
