আবারও শুরু হতে যাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) যৌথভাবে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে আসছে প্রাইম ব্যাংক। তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ করে দিতে ২০১৫ সাল থেকেই এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তারা।
এ বছর সারাদেশ থেকে ৩৫০টি স্কুল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। যেখানে খেলবে সাড়ে আট হাজারেরও বেশি ক্রিকেটার। সব মিলিয়ে ম্যাচ হবে ৬৫১টি। আগামী ১০ এপ্রিল শুরু হবে জেলা পর্যায়ের ম্যাচগুলো। এরপর হবে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের খেলা। আজ (বৃহস্পতিবার) টুর্নামেন্টের জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। তার আগে হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। যেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। এছাড়াও জাতীয় দলের তাওহীদ হৃদয় ও নাজমুল হোসেনও ছিলেন সেখানে।
সংবাদ সম্মেলনে স্কুল ক্রিকেট নিয়ে হৃদয় বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেট নিয়ে কিছু বলতে গেলেই আমি ইমোশনাল হয়ে পরি। কেননা আমার শুরুটাই করি স্কুল ক্রিকেট দিয়ে। বছর দুয়েক আগে টসের কারণে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়েছিলো। আমি চাই এই স্কুল ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপটা এমন সময় চালু করা হোক, যখন বৃষ্টি না হয়।’
হৃদয় আরও বলেন, ‘আশা করব যে এই টুর্নামেন্টটা প্রতি বছরই চলতে থাকবে। গত ১১ বছর ধরে চলছে, ভবিষ্যতে আরও ভালো যে জিনিসগুলো উন্নতি করার সেই সব জিনিস উন্নতি করে ইনশাআল্লাহ সামনের দিকে আমরা আসব।’ স্কুল ক্রিকেট নিয়ে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন শান্ত। স্কুল ক্রিকেটে ভালো করলে জাতীয় দলে আসার পথ সহজ হয়ে যায় বলে মনে করেন তিনি।
এর আগে ২০১৫ সালে শুরু হওয়া প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটে বিভিন্ন সময়ে অংশ নিয়েছে ৩,৫০৭ স্কুল। দেশের সব প্রান্তে মাঠে গড়ানো ৬,১৯৫ ম্যাচে খেলেছে ৭৬,২৩৫ স্কুল ক্রিকেটার যা বাংলাদেশের যে কোন পর্যায়ের ক্রিকেটে সর্ব্বোচ্চ।
এছাড়া প্রতি বছর প্রাইম ব্যাংক ন্যাশনাল স্কুল ক্রিকেটের মৌসুম শেষে, বিসিবির বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের নির্বাচকদের নির্বাচনের ভিত্তিতে সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে বৃত্তি দিয়ে আসছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। বিসিবির অনুরোধে বৃত্তি সংখ্যা এই বছর ১৫ থেকে ২৫ করা হয়েছে। স্কলারশিপের পরিমাণও বছরে ৬০০০০ থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
