ইরাকের প্লে অফ ম্যাচের তারিখ পরিবর্তনের অনুরোধ , হঠাৎ করে মধ্যপ্রাচ্য অশান্ত হয়ে উঠেছে। চারিদিকে বারুদের গন্ধ। যখন তখন বোমা বিস্ফোরণ। এমন সময়ে খেলাধূলার কথা চিন্তা ভাবনা করাটা কঠিন। কিন্তু যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া ইরানের প্রতিবেশি দেশ ইরাককে এমনটা চিন্তা ভাবনা করতে হচ্ছে। ৪০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো তাদের সামনে বিশ্বকাপে খেলার হাতছানি। তার জন্য আর একটা মাত্র ধাপ পার হতে হবে। ইন্টার কনফেডারেশন প্লে অফ।
আগামী ৩১ মার্চ মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত এই প্লে অফ ম্যাচ। ইরাক এ ম্যাচে মাঠে নামবে। তবে তাদের প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ২৬ মার্চ থেকে প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হওয়ার লড়াই শুরু হবে। সে লড়াইয়ের একাধিক ধাপ শেষে ৩১ মার্চ চূড়ান্ত লড়াই হবে। তবে যুদ্ধের কারণে এ ম্যাচ নিয়ে ইরাকের দুঃশ্চিন্তা শেষ নেই। যেহেতু ম্যাচটি মেক্সিকো অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু এ মুহুর্তে সেখানে যাওয়ার কোনো উপায় নেই ইরাকি খেলোয়াড়দের। যুদ্ধের কারণে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ইরাকের আকাশ বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে আকাশ পথে কোনো পরিবহন চলছে না। সে কারণে ইরাকের কোচ গ্রাহাম আরনল্ড দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন। তিনি এ অবস্থা উদ্ধারের জন্য ফিফার সহযোগিতা চেয়েছেন।
আরনল্ড ফিফার কাছে অনুরোধ করে জানিয়েছেন, এই ম্যাচের জন্য আমাদের সহযোগিতা করুণ। আমরা ইরাক থেকে এ মুহুর্তে বের হতে পারছি না।
আরনল্ডের পছন্দের ৬০ ভাগ খেলোয়াড় ইরাকের ঘরোয়া লিগে খেলে থাকে। এইসব খেলোয়াড়ের পাশাপাশি অনেক সহকারী এখন ইরাক থেকে বের হতে পারছে না। যুদ্ধের কারণে একটা অনুশীলন ম্যাচ এরই মধ্যে বাতিল হয়েছে। ভিসা ও ভ্রমণ অনিশ্চয়তার কারণে এই ম্যাচ বাতিল করতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে আরনল্ড একটা পরামর্শও দিয়েছে ফিফাকে। তিনি বলেছেন,
আমার মতে ফিফা আমাদের ম্যাচের তারিখ পরিবর্তন করতে পারে। খেলাটা আরও পিছিয়ে দিতে পারে। কেননা আমরা প্রস্তুতি নেওয়ারও একটু সময় পাব। অন্য যাদের ম্যাচ এখন রয়েছে তাদের ম্যাচ সময়মতো হয়ে যাক। আমাদের ম্যাচটা বিশ্বকাপের কয়েকদিন আগে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচটা হতে পারে। যে দল জিতবে তারা চূড়ান্ত পর্বে খেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাবে। অন্য দল বাড়ির পথ ধরবে।
আরনল্ড আরও বলেন, ইরানের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে ফিফাকে অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। তারা বিশ্বকাপে খেলবে কিনা বা খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা শেষ হয়নি।
