নিজেদের বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় লজ্জা পেল ভারত । ৯১ হাজার দর্শকের সামনে শিরোপার রেসে টিকে থাকার লড়াইয়ে কঠিন ধাক্কা খেল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। সুপার এইট পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে কোনো পাত্তাই পায়নি স্বাগতিকরা। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রানের ব্যবধানে ভারতের সবচেয়ে বড় হার।
হাইভোল্টেজ ম্যাচে এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৮৭ রানের বিশাল পুঁজি পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে শুরু থেকেই প্রোটিয়া বোলারদের মোকাবেলা করতে পারেনি অভিষেক-সূর্যকুমাররা। শেষ পর্যন্ত ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় ভারতের ইনিংস। তাতে আহমেদাবাদে ভারতের বিপক্ষে ৭৬ রানের বিশাল জয় পায় প্রোটিয়ারা।
টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে ভারতের সবচেয়ে বড় হার
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে রানের ব্যবধানে ভারতের সবচেয়ে বাজে হার। এর আগে ২০১০ বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪৯ রানে হারটি ছিল ভারতের সবচেয়ে বড় পরাজয়। শুধু তাই নয়, ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এই প্রথম কোনো বহুজাতিক টুর্নামেন্টে হারের স্বাদ পেল ভারত।
এর মাঝে খেলা ২২টি ম্যাচের মধ্যে ২১টিতেই জিতেছিল তারা, আর একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল। আহমেদাবাদে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বিপদে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। তবে দলের হাল ধরেন মিলার ও ব্রেভিস।
দুইজন মিলে করেন ৯৭ রানের জুটি। শেষ দিকে স্টাবসও ব্যাট হাতে তাণ্ডব দেখিয়েছেন। জবাবে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ভারত। ৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে তারা। শিবম দুবে কিছুটা লড়াই করলেও বাকিরা তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি। ৭ বল বাকি থাকতে ১১১ রানে অল আউট হয় সূর্যকুমারের দল। চলতি বিশ্বকাপে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের পরের ম্যাচ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
বিশ্বকাপে শেষ চারে টিকে থাকতে বাকি ম্যাচগুলোতে জিততেই হবে ভারতকে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরে ভারতের সব পরিকল্পনা উলট-পালট হয়ে গেছে। আসরে টিকে থাকতে তাই এখন নতুন করে ভাবতে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
- দক্ষিণ আফ্রিকা: ২০ ওভারে ১৮৭/৭
- ভারত: ১৮.৫ ওভারে ১১১/১০
- ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৭৬ রানে জয়ী
- ম্যান অব দা ম্যাচ: ডেভিড মিলার
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩




















