নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে জেসির

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে জেসির

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে জেসির । গত বছর মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা হয়েছিল সাথিরা জাকির জেসির। এবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক হচ্ছে এই বাংলাদেশির। আসন্ন আসরের জন্য জেসিসহ নতুন চারজন আম্পায়ারের নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইসিসি।

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তৃতীয়বারের মতো ম্যাচ অফিসিয়াল প্যানেলে শুধু নারীদেরই রাখছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবারের তালিকায় জেসির সঙ্গে আরও তিন নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন ক্যানডিস লা বোর্ডে, গায়ত্রী ভেণুগোপালন ও কেরিন ক্লাস্টে। তাদের জন্য এটিই হবে বিশ্বকাপ পর্যায়ে বড় পরিসরের নতুন দায়িত্ব।

১২ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য মোট ১৪ জন আম্পায়ার এবং চারজন ম্যাচ রেফারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন আম্পায়ার ২০২৪ সালের আসরেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অভিজ্ঞতার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্লেয়ার পোলোসাক। তিনি ইতোমধ্যে ছয়টি আসরে ২২টি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন।

আইসিসির ঘোষিত আম্পায়ার প্যানেলে আছেন লরেন আগেনবাগ, কিম কটন, অ্যানা হ্যারিস, সাথিরা জাকির জেসি, কেরিন ক্লাস্টে, ক্যান্ডিস লা বোর্ডে, জানানি এন, নিমালি পেরেরা, ক্লেয়ার পোলোসাক, বৃন্দা রাঠি, সুজান রেডফার্ন, এলোইস শেরিডান, জ্যাকলিন উইলিয়ামস এবং গায়ত্রী বেনুগোপালন। নারী ক্রিকেটে ম্যাচ পরিচালনার এই বৈচিত্র্যময় তালিকা আবারও বিশ্ব ক্রিকেটে নারীদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির দিকটিই তুলে ধরছে।

অন্যদিকে ম্যাচ রেফারি প্যানেলে রাখা হয়েছে ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জিএস লক্ষ্মী এবং মিশেল পেরেরাকে। তাদের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধ টুর্নামেন্টের মান ধরে রাখতে সহায়ক হবে বলেই মনে করছে আইসিসি।

বাংলাদেশের জন্য জেসির এই অর্জন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে তার এই অগ্রযাত্রা দেশের নারী ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের জন্যও নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার তার নামও থাকবে দায়িত্বশীল ও বিশ্বস্ত আম্পায়ারদের কাতারে।

Exit mobile version