আইসিসির র্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হার মানতেই পারছেন না পাকিস্তান। লজ্জার বিষয়টি হজমই করতে পারছেন না পাকিস্তানি সাবেকরা। বাংলাদেশের সাথে সিরিজ জিততে না পারলে আইসিসি ট্রফি আসবে কী করে? কামরান আকমল দেখছেন একটাই উপায়। চুরি করেই আনতে হবে পাকিস্তানের আইসিসি ট্রফি!
পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটকে কমেডি শো আখ্যা দিয়ে কামরান বলেন, ‘পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে সিরিয়াস হওয়ার কিছু নেই, বরং এদের কর্মকাণ্ড দেখে হাসাটাই স্বাভাবিক। এটা এখন নিছক এক কমেডি শো ছাড়া আর কিছু নয়।‘
তার ভাষায় পাকিস্তান তাই জিতল নাকি হারল, তাতে নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের বা বোর্ডের কিছুই যায় আসে না। ‘এই দলের হার-জিত নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই, তাদের মূল লক্ষ্য কেবল নতুন নতুন পরীক্ষা চালানো। পরিস্থিতি এমন যে, হাতে ৩০ জন খেলোয়াড় থাকলে তারা তিন ম্যাচের মধ্যেই সবাইকে মাঠে নামিয়ে দিত।‘
একই সাথে এই সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ ছিল র্যাংকিংয়ের ১০ নম্বরে। র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা দলের কাছে পাকিস্তান সিরিজ হারবে, তা যেন বিশ্বাসই হচ্ছে না এই সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটারের।
এ বিষয়ে কামরান বলেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্টের যেন কোনো হুঁশ নেই যে, গত সাত-আট বছর ধরে পাকিস্তান দল কেবল হারের বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে। গতকাল তো তারা র্যাঙ্কিংয়ের ১০ (৯) নম্বর দলের কাছেও সিরিজ হেরে বসল।‘
সর্বশেষ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টিতে ভারত শিরোপা জিতলেও ভারত-পাকিস্তান দ্বন্দ্বের জেরে ভারতের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়নি। সেদিকে খোঁচা দিয়ে কামরান বলেছেন, আইসিসি ট্রফিটাও চুরি করেই আনুন।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ম্যাচটি তো হেরেই গেলেন, তাহলে এই পরীক্ষানিরীক্ষার মানে কী ছিল? পিচ ভালো থাকা সত্ত্বেও টস জিতে ব্যাটিং না নিয়ে বোলিং করার সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল। যেখানে অনায়াসেই ৩৫০ রান করা সম্ভব ছিল, সেখানে লিটন দাসের ধীরগতির কারণে স্কোর মাত্র ২৯০-এ থেমেছে। সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে যদি এই দলগুলোর বিপক্ষে জয় না আসে, তবে উন্নতি কীভাবে হবে? আইসিসি ট্রফি কি তাহলে চুরি করে আনবেন?’
উল্লেখ্য’ ২০১৫ সালের পর বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয়বার ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে পাকিস্তান।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















