এবার ভোট দেবেন না মেসি

বার্সেলোনার সভাপতি পদ থেকে হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে ক্লাবটিতে নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে বার্সেলোনায়। নিয়ম অনুসারে আবারও সভাপতি পদে লড়বেন লাপোর্তা। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ভিক্টর ফন্টকে। বার্সেলোনার ভবিষ্যতের রোডম্যাপ নির্ধারণী এই নির্বাচনে আলোচনায় এসেছেন ক্লাবের দুই কিংবদন্তী লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজ।

নির্বাচনে লিওনেল মেসি কাকে ভোট দেবেন তা নিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না বার্সেলোনা ও মেসি ভক্তদের। মেসি কাকে ভোট দেবেন তা নিয়ে ভক্তদের ছিল অনেক জল্পনা কল্পনা। কিন্তু জল্পনায় পানি ঢেলেছেন মেসি নিজেই। জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে নিয়ে জল্পনার কোনো দরকার নেই। কেননা তিনি এই নির্বাচনে ভোট দেবেন না।

বার্সেলোনার বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। পাশাপাশি ফন্টকে সমর্থন দেওয়ার যথেষ্ঠ কারণ রয়েছে। তারপরও মেসি নীরব থাকছেন। স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে মেসি ভোট থেকে দূরে রাখার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা রয়েছে। তাছাড়া বার্সেলোনার বর্তমান ক্লাব কাঠামোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকায় তিনি এবার ভোটদান থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, মেসি ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রার্থীর সঙ্গে দেখাও করবেন না। যদিও ভিক্টর ফন্ট প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছেন, জয়ী হলে তিনি সবার আগে মেসিকে ফোন দেবেন। এমন ঘোষণা সত্ত্বেও মেসির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সরাসরি ভোট দিয়েছিলেন। সে সময় তার ভোট দেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। অনেকের ধারণা মেসির সেই ভোট দেওয়ার ছবি হুয়ান লাপোর্তার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।

সামনে বিশ্বকাপ। তাছাড়া ইন্টার মায়ামির হয়ে প্রাক মৌসুমের প্রস্তুতির জন্য মেসি এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। যে কারণে হুট করে বার্সেলোনায় উড়ে আসাটা একটু কঠিন। তাছাড়া একটা সূত্র জানিয়েছে, ভোট দিয়ে বা কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নতুন কোনো বিতর্কে জড়াতে চান না মেসি।

মেসি নির্বাচন থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখলেও সে উপায় নেই জাভি হার্নাদেজের। তিনি অবশ্যই একজনকে বেছে নেবেন।

যাহোক বার্সেলোনার ভবিষ্যত কার হাতে যাচ্ছে তা জানতে আমাদের এখনো এক মাস অপেক্ষা করতে হবে। বার্সেলোনা ভক্তরা তাকিয়ে আছে আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের দিকে।

Exit mobile version