বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা , প্রতিভা ও সাফল্যকে টেকসই রূপ দিতে তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট বেতন কাঠামো প্রবর্তন এবং জাতীয় লীগ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। আজ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সম্মেলন কক্ষে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত ক্রীড়া সংগঠনসমূহের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন।

আমিনুল বলেন,‘আমাদের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়রা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যে গৌরবময় সাফল্য বয়ে আনছেন, সরকার তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে সাধারণ খেলাধুলার মতো তাদের জন্যও পর্যায়ক্রমে জাতীয় লিগ চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে এবং সকল প্রতিবন্ধী ক্রীড়া সংগঠনকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অধীনে নিয়ে আসা হবে।
জাতীয়করণ, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পরিকল্পনা
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য খেলাধুলাকে জাতীয়করণের মাধ্যমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করা হবে। বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের আর্থিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করার পাশাপাশি আগামীতে বাংলাদেশে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এ লক্ষ্যে সাধারণ খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্যও মাসিক বেতন কাঠামো প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। আর্থিক সুবিধা থাকলে জীবনের নির্বিঘ্ন জীবনের নিশ্চয়তাও থাকবে। সে কারণে ক্রীড়াক্ষেত্রে এটি থাকা বেশ জরুরি। কিছুদিন আগে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলসহ অন্যান্য ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক বেতন চালুর কথাও বলেছেন।

ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আর্থিকভাবে সরকার থেকে সহায়তার হাত বাড়ানোর পরবর্তী ধাপ হচ্ছে সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। খেলোয়াড়দের আধুনিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন,‘বিশেষায়িত ক্রীড়া সামগ্রীর চাহিদা পর্যায়ক্রমে পূরণ করা হবে।
আমিনুল খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির চেয়ে দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখার আহ্বান জানান। এ সময় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই অ্যাথলেটদের সুপ্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এই বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়রা দেশের জন্য বড় অর্জন বয়ে আনবেন এবং সমাজেও আত্মমর্যাদার সাথে বাঁচতে পারবেন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















