চলে গেলেন মোহামেডানের আতা ভাই

চলে গেলেন মোহামেডানের আতা ভাই

চলে গেলেন মোহামেডানের আতা ভাই

চলে গেলেন মোহামেডানের আতা ভাই । শুধু মোহামেডানই নয় দেশের ফুটবলের একমাত্র ‘আইকনিক সাপোর্টার’ বর্ষীয়ান ‘‘আতা ভাই” মৃত্যু বরণ করেছেন (ইন্নাল্লিলাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার রাত আনুমানিক ১১ টায় বার্ধক্য জনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আতাউর রহমান আতা ইন্তেকাল করেন।

তাঁর মৃত্যুতে মোহামেডান পরিবারের পরিচালনা পর্ষদ, দাতা-স্থায়ী সদস্য, সাবেক-বর্তমান খেলোয়াড়বৃন্দ, কর্মচারীসহ বিভিন্ন ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে।

চলে গেলেন মোহামেডানের আতা ভাই , ছবি: সংগৃহীত

দেশের ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব মোহামেডানের একমাত্র আইকনিক সমর্থক “আতা ভাই” ক্লাবটির চরম ‍দুর্দিনেও পতাকাহাতে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকতেন। গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতেন প্রিয় ক্লাবটির হয়ে।

২০০৭ সালে দেশে পেশাদার ফুটবলে যাত্রা শুরুর পরই বলতে গেলে সংকটের দিকে যেতে থাকে মোহামেডান। কোটি টাকার সুপার কাপে টানা তিন আসরেই ফাইনাল খেলে দু’বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছাড়া লিগে ধুকতে থাকে মোহামেডান। এমনকি সর্বোচ্চস্তর থেকে অবনমনের শংকায় পড়ে যায় সাদা-কালোরা। কিন্তু সেই সময়ও ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে মোহামেডানের প্রতিটি ম্যাচে উপস্থিত থাকতেন আতা ভাই।

মাঠে না খেলেও দেশের ফুটবল প্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। গত আসরে লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া মোহামেডান টানা ২২ বছর ধরে ছিলো শিরোপা খরায়। এই সময় অনেক সমর্থক মুখ ফিরিয়ে নিলেও ব্যতিক্রম ছিলেন আতা ভাই। জাতীয় স্টেডিয়ামে মোহামেডানের ম্যাচ মানেই ছিলো তার উপস্থিতি। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও গ্যালারিতে তিনি তরুণদের চেয়ে বেশি উজ্জীবিত থাকতেন। ম্যাচের পুরোটা সময়ই চিৎকার করতেন।

ফুটবল ছাড়াও মোহামেডানের ক্রিকেট কিংবা হকি ম্যাচেও উপস্থিত থাকতেন। তবে ফুটবলই ছিলো তার ভালোবাসা। ম্যাচের দিন গ্যালারিতে আর অন্য সময় থাকতেন ক্লাব প্রাঙ্গণে।

ঢাকা স্টেডিয়ামে সাম্প্রতিক সংস্কারের কারণে বছর চারেক খেলা হয়নি। খেলা হয়েছে ঢাকার বাইরে। বয়সের ভারে নাজুক হয়ে পড়া আতা মাঠে আসতে না পারলেও নিয়মিত খোঁজ খবর নিয়েছেন। তার চলে যাওয়ায় মোহামেডান ক্লাবে বিশাল এক শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

Exit mobile version