মোসাদ্দেকের চোখ ২০২৭ বিশ্বকাপ , প্রায় সাড়ে তিন বছর পর জাতীয় দলে ফিরেই আগামী বিশ্বকাপে চোখ অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের। এই অলরাউন্ডার সবশেষ ২০২২ সালের ৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। এরপর পেরিয়ে গেছে সাড়ে ৩ বছরেরও বেশি সময়।
অনেক লড়াইয়ের পর অবশেষে আবারো জাতীয় দলে মোসাদ্দেক। আর ফিরেই তার চোখ ওয়ানডে বিশ্বকাপে। ২০২৭ সালে হতে যাওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে হলে অবশ্য এই প্রত্যাবর্তনটা রাঙাতে হবে- এই অলরাউন্ডার তা ভালো করেই জানেন।
বৃহস্পতিবার মোসাদ্দেক বলেন,
তা তো অবশ্যই। আমাদের যে স্ট্রাকচার, ঘরোয়া ক্রিকেটই একমাত্র জায়গা যেখানে ভালো খেললে নির্বাচকদের সুনজরে আসতে পারেন। আর তো কোনো পথ নেই। চেষ্টা করেছি সেখানে যত বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলা যায়। সেখানে ভালো খেলেই সুযোগটা এসেছে। যতদিন ক্যারিয়ার থাকবে, ততদিন যেন জাতীয় দলে খেলতে পারি সেই চেষ্টা থাকবে।
অবশ্য বল হাতে পার্ট টাইম বোলিং আর ব্যাট হাতে লোয়ার মিডল অর্ডারে ভূমিকা রাখা সহজ কোনো কাজ নয়। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ইতোমধ্যে মোসাদ্দেকের ভূমিকা স্পষ্ট করেছেন। এবার এই ক্রিকেটার জানালেন, ‘সুমন ভাই কাল ভালোভাবেই ক্লিয়ার করেছেন আমার ভূমিকা কী হবে।
সেই জায়গা থেকে, সুযোগ এলে আমি চেষ্টা করব… হয়ত ৬-৭ নম্বরে ব্যাট করতে হবে, আবার দলের দরকারে ৫-৬ ওভার বল করা লাগতে পারে। আমার ছোট ছোট দায়িত্ব চেষ্টা করব পূরণ করার। ৬-৭ এ যারা ব্যাট করে, ওদের পরিসংখ্যান সমৃদ্ধ না। ইমপ্যাক্ট গুরুত্বপূর্ণ। সুযোগ পেলে ইমপ্যাক্ট রাখার চেষ্টা করব।’
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে হাই স্কোরিং ম্যাচের আশা প্রকাশ করে নিজেদের বোলিং ইউনিট নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার, ‘এখন তো উইকেট ভালোর দিকে। ডিপিএল ভালো উইকেটে খেলছি। গত ৬-৭ মাসে ঘরোয়ায় সবখানে ভালো উইকেট পাচ্ছি। আশা করি হাই স্কোরিং ম্যাচ হবে।
আমাদের বোলিং অ্যাটাক এখন, বিশ্বের বড় দল গুলোর সাথে তুলনা করার মতো। হোমে যেভাবে ব্যাটাররা খেলছে বিশেষ করে ওয়ানডেতে, এই পারফরম্যান্স ধরে রাখলে সিরিজ জয়ের ভালো সম্ভাবনা থাকবে।
এ সময় ২০২৭ বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার প্রসঙ্গ এলে মোসাদ্দেক বলেন,
অবশ্যই অনেক খুশি হবো। বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ করতে, তার আগে যেসব সিরিজ আছে সেখানে ভালো খেলতে হবে। ভালো খেলতে পারলে, আশা করতে পারি সাতাশ বিশ্বকাপে সোনালি সুযোগ অপেক্ষা করছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















