বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আজ দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করেছেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি, মোস্তাফিজুর রহমানও দুর্বার। তাই নোয়াখালী এক্সপ্রেস ১৪৮ রানে গুটিয়ে গেছে ১৯.৫ ওভারে। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ ২ ওভারে ১০ রানে ৫ উইকেট হারিয়েছে তারা। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এটি কোনো জয় না পাওয়া নোয়াখালীর সপ্তম ম্যাচ।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নোয়খালী এক্সপ্রেস ২ ওভারেই ২৫ রান তুলে ফেলে। কিন্তু তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই শাহাদাত হোসেন দিপু ৮ বলে ৩ চারে ১৪ রান করে মোস্তাফিজুর রহমানের পেসে বোল্ড হন। কিন্তু নোয়াখালীর ঝড় থামেনি।
ওয়ানডাউনে নেমে হাবিবুর রহমান সোহান মাত্র ১৬ বলে ৩ চার, ২ ছক্কায় ৩০ রান করেন। দ্বিতীয় উইকেটে সৌম্য সরকারের সঙ্গে তার ৪৩ রানের জুটি হয়েছে মাত্র ৩০ বলে। ১০ ওভারেই নোয়াখালী এক্সপ্রেস ২ উইকেটে ৮৪ রান তুলে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
তবে সৌম্য ১১তম ওভারে ২৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩১ রান করে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ নবি (০) ও হায়দার আলি (১) দ্রুতই সাজঘরে ফিরে যান। পরে জাকের আলি অনিক ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ষষ্ঠ উইকেটে ৪০বলে ৪৯ রানের একটি ধীরলয়ের জুটি গড়েন।
জাকের ৩৭ বলে ৩ চার, ১ ছয়ে ৩৮ রানে মোস্তাফিজের দ্বিতীয় শিকার হন। পরের বলেই মেহেদি হাসান রানাকে বোল্ড করেন এ বাঁহাতি পেসার। সেটি ১৯তম ওভার। ২০তম ওভারে হ্যাটট্রিক করেন মৃত্যুঞ্জয় ৩য় বলে মাহিদুলকে কট বিহাইন্ড, ৪র্থ বলে জহির খানকে কট অ্যান্ড বোল্ড এবং পঞ্চম বলে বিলাল সামিকে ক্যাচে পরিণত করে।

২০২২ সালে বিপিএল অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করেছিলেন মৃত্যুঞ্জয়। তাই এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। চলতি আসরে এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। নোয়াখালীর পেসার মেহেদি হাসান রানা হ্যাটট্রিক করেছিলেন।
শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী ১ বল বাকি থাকতেই ১৪৮ রানে থেমে যায়। মাহিদুল ২১ বলে ১ চার, ১ ছয়ে ২৮ রান করেন। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ২.৫ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট নেন। এছাড়া খুশদিল ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩
















