পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) শনিবার মুখোমুখি হন দুই বাংলাদেশি। সেখানে নাহিদ নৈপুণ্যে মুস্তাফিজ হার দেখেছেন। দু’জনই বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন। কিন্তু নাহিদ রানার পেশোয়ার জালমি ৭৬ রানে হারিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানের লাহোর কালান্দার্সকে।
আগের ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন। এবার নাহিদ নৈপুণ্যে আরেকটি জয় তুলে নিয়ে পেশোয়ার উঠে গেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। করাচিতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামে পেশোয়ার। ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৭৩ রান তোলে তারা।
১৮ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ১০৯ রানের জুটি গড়েন ফর্মে থাকার বাবর আজম ও কুসল মেন্ডিস। এতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় পেশোয়ার। ৪০ বলে ৩টি চার, ১টি ছয়ে ৪৩ রানে আউট হন বাবর।

আক্রমণাত্মক কুসল হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলের রান বাড়িয়েছেন। তিনি ৪৮ বলে ৫টি চার, ৪টি ছয়ে ৭৪ রান করে ১৭তম ওভারের শেষে সাজঘরে ফেরেন। পরে শুধু মাইকেল ব্রেসওয়েল ১০ বলে ১টি চার, ২টি ছয়ে ২১ রান করতে পেরেছেন।
নাহিদ নৈপুণ্যে মুস্তাফিজ হার দেখলেন
বাকিরা ব্যর্থ হয়েছেন। শাহীন শাহ আফ্রিদি চার ওভারে ২২ রান দিয়ে ৩টি এবং মুস্তাফিজ চার ওভারে ৩০ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন। জবাবে লাহোর চার রানে একজন ওপেনারকে হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে কিছুটা ভালো করছিল। কিন্তু ৩৯ রানের জুটি ভেঙে যায় ১৫ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২১ রান করা আব্দুল্লাহ শফিকের বিদায়ে।
১৯ বলে ৩টি চারে ফখর জামানও সাজঘরে ফেরেন ২১ রানে। আর কোনো ভালো জুটি হয়নি লাহোরের। তাই ১৭ ওভারে ৯৭ রানেই থামে তাদের ইনিংস। শেষদিকে দুনিথ ভেল্ললাগের ২৪ বলে ৩টি চারে ২০ রান শুধুই কালক্ষেপণ ছিল।
সুফিয়ান মুকিম ও ব্রেসওয়েল দুর্দান্ত বোলিং করেন। উভয়ে চার ওভারে যথাক্রমে ২১ ও ১৮ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট নেন। আর আগের ম্যাচে কিপটে বোলিং করা নাহিদ এদিনও ধারাবহিকতা রাখতে পেরেছেন। তিন ওভারে ১৫ রানে ২টি উইকেট নেন তিনি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পেশোয়ার জালমি- ১৭৩/৭; ২০ ওভার (কুসল ৭৪. বাবর ৪৩, ব্রেসওয়েল ২১; শাহীন ৩/২২, মুস্তাফিজ ২/৩০)।
লাহোর কালান্দার্স- ৯৭/১০; ১৭ ওভার (শফিক ২১, ফখর ২১, ভেল্লালাগে ২০; ব্রেসওয়েল ৩/১৮, মুকিম ৩/২১, নাহিদ ২/১৫)।
ফল : পেশেয়ার জালমি ৭৬ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : কুসল মেন্ডিস।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩













