নাহিদ রানা যে সমস্যায় ভুগছেন বলে দাবি তালহার

নাহিদ রানা যে সমস্যায় ভুগছেন বলে দাবি তালহার

তালহার চোখে নাহিদ রানার যে সমস্যা, ছবি : সংগৃহীত

নাহিদ রানা টগবগে এক তরুণ যার কব্জিতে আছে বেশ জোর। দ্রুতগতিতে বোলিং করতে পারেন এই দীর্ঘদেহী পেসার। কিন্তু ২৩ বছর বয়সি নাহিদ রানা ধারাবাহিকতার ঘাটতিতে রয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজেও প্রথম ম্যাচে ৫টি উইকেট নেওয়া নাহিদ রানা দ্বিতীয় ম্যাচেই অগোছালো ছিলেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের নাহিদের সমস্যা বুঝতে পেরেছেন।

নাহিদ রানা পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫টি উইকেট শিকার করেন। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই গতি দিয়ে আলোচনায় তিনি। তবে টেস্ট ক্রিকেটে তার উপস্থিতি ধারবাহিক হলেও সাদা বলের ক্রিকেটে তা নয়। এর মূল কারণ তার পারফরম্যান্সের গ্রাফ ওঠা-নামার মধ্যে থাকে। চলমান সিরিজেই দ্বিতীয় ম্যাচে নিস্প্রভ ও অগোছালো বোলিংয়ে সেটি যেন আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে।

প্রথম ওয়ানডেতে শাহিনদের কাঁপিয়েছেন নাহিদ রানা, ছবি : সংগৃহীত

নাহিদের এমন অধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য বেশ কিছু ঘাটতির জায়গা বের করেছেন বিসিবির পেস বোলিং কোচ তালহা। তার মতে, নাহিদ পেস নির্ভর বোলিং করে। পেসের সঙ্গে যদি সুইংয়ের ওপরও নিয়ন্ত্রণ আনতে পারে তাহলে ধারাবাহিক সাফল্য পাবেন এই পেসার।

নাহিদ রানা যে সমস্যায় ভুগছেন

আজ মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তালহা বলেন,’নাহিদ রানা তার পেসের ওপর নির্ভর করে বেশি, সুইংয়ের ওপর না। তাই এই পেসের সাথে সুইংটা নিয়ে যদি সে একটু কাজ করতে পারে, আমার মনে হয় আরও ভয়ঙ্কর বোলার হবে মোকাবেলা করার জন্য।’

তালহা আরও বলেন,‘অভিজ্ঞতা সবসময় আপনার কাজে লাগে না, যদি আপনি মাঠে ভালো নৈপুণ্য দেখাতে না পারেন। তাই আপনার যে অভিজ্ঞতাটা আছে এটা যদি আপনি নিয়মিত মাঠে দেখাতে পারেন, তাহলে আপনি ব্যাটারদের কাছ থেকে একটা সম্মান অর্জন করতে পারবেন। তাই আমাদের বোলিং বিভাগকেও এটাই করতে হবে।’

বিসিবির পেস বোলিং কোচ তালহা, ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ দলে এখন অভিজ্ঞ পেসারদের বড় একটা পাইপলাইন রয়েছে। এই সিরিজে ওয়ানডের দুই অন্যতম সদস্য তানজিম হাসান সাকিব ও হাসান মাহমুদ খেলতে পারছেন না ইনজুরির কারণে। কিন্তু স্কোয়াডে আছেন অভিজ্ঞ তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং শরিফুল ইসলাম।

এই অভিজ্ঞ পেসারদের নিয়ে তালহা বলেন,‘তাসকিন আর মোস্তাফিজের অভিজ্ঞতার কথা যদি চিন্তা করেন, তাহলে আমরা অবশ্যই এগিয়ে। কারণ তারা বেশি ম্যাচ খেলেছে, তাদের উইকেটও বেশি। পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি বাদে আমার মনে হয় না… আর হারিস রউফ খেলেছে, কিন্তু হারিস রউফের এত উইকেট মনে হয় নেই মোস্তাফিজ আর তাসকিনের মতো।’

Exit mobile version