২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলেছে নেপাল। সেবার প্রাথমিক রাউন্ডে হংকং ও আফগানিস্তানকে হারিয়ে দেয় তারা। ১২ বছর পর আবার টি-২০ বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ জিতেছে নেপাল। আজ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে স্কটল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা। চার ম্যাচে এক জয় নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল নেপাল।
‘সি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ মুখোমুখি হয় নেপাল-স্কটল্যান্ড। স্কটিশরা আগেই একটি ম্যাচ জিতেছে। এবার নেপালের জয় দিয়ে শেষ করার লক্ষ্য ছিল। সেই ম্যাচে টস জিতে স্কটল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় তারা। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় স্কটিশরা।

১০ ওভারে ওপেনিং জুটির ৮০ রানই বড় ভূমিকা রেখেছে স্কটল্যান্ডের একটি ভালো পুঁজি পাওয়ার ক্ষেত্রে। কার্যকর ইনিংসটা খেলেছেন ওপেনার মাইকেল জোন্স। তিনি ৪৫ বলে আটটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৭১ রান করেন। এছাড়া জর্জ মানসি ২৯ বলে চার বাউন্ডারিতে ২৭ ও ব্র্যান্ডন ম্যাকমুলেন ১৯ বলে একটি করে চার-ছয়ে ২৫ রান করেন।
নেপালি ব্যাটারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স
নেপালের ডানহাতি পেসার সোমপাল কামি চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে তিনটি এবং নন্দন যাদব দুটি উইকেট নেন। ১৭১ রানের টার্গেটে নেমে নেপাল শুরুটাই দারুণ করেছে। ওপেনিং জুটিতে কুশল ভুরটেল ও আসিফ শেখ ৯ ওভারে ৭৪ রানের জুটি গড়েন।
দারুণ সূচনার পর ভুরটেল ৩৫ বলে একটি চার ও চারটি ছক্কায় ৪৩ রান করে বিদায় নিলে জুটি ভাঙে। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে আসিফ ও রোহিত পাউডেল (১৪ বলে ১৬) সাজঘরে ফিরেছেন। আসিফ ২৭ বলে দুই ছক্কায় ৩৩ রান করেন।
এতে অবশ্য তেমন সমস্যা হয়নি নেপালের। দীপেন্দ্র সিং আইরি হার না মানা ফিফটিতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। তিনি আর গুলশান ঝা অবিচ্ছিন্ন থেকে চতুর্থ উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েন। ১৯.২ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭১ রান তুলে দারুণ এক জয় পায় নেপাল।

দীপেন্দ্র মাত্র ২৩ বলে চারটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৫০ এবং গুলশান ১৭ বলে একটি চার ও দুটি ছক্কায় ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন। একাই তিনটি উইকেট নেন মাইকেল লিস্ক।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
স্কটল্যান্ড- ১৭০/৭; ২০ ওভার (জোন্স ৭১, মানসি ২৭, ম্যাকমুলেন ২৫; সোমপাল ৩/২৫, নন্দন ২/৩৪)।
নেপাল- ১৭১/৩; ১৯.২ ওভার (দীপেন্দ্র ৫০*, ভুরটেল ৪৩, আসিফ ৩৩, গুলশান ২৪*; লিস্ক ৩/৩০)।
ফল : নেপাল ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : দীপেন্দ্র সিং আইরি।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















