বিশ্ব ক্রিকেটে আইন পরিবর্তন
ক্রিকেট মাঠে বেশ কিছু আইন কানুন মানতে হয় , সে অনুসারেই চলে খেলা। তবে অক্টোবর থেকে ক্রিকেটে আসছে নতুন আইন , ক্রিকেটের ৪২টি আইনে সংশোধন এবং সংযোজন-বিয়োজন করতে যাচ্ছে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। আইন গুলো অক্টোবর থেকে প্রয়োগ করা হবে। মূলত বিশ্ব ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা এমসিসি।
নতুন আইনগুলোর মধ্যে একটি বলের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত। সংশোধিত আইনে উইকেট বৈধভাবে ভাঙার মুহূর্তে বলটি উইকেট রক্ষক বা ফিল্ডারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে। শুধু হাতে বা গ্লাভসে বল ছুঁয়ে থাকাবস্থায় বেল ফেললেও তা আউট হিসেবে গণ্য হবে না।
ডেড বল ঘোষণা করার ক্ষমতা আম্পায়ারের হাতে
টেস্ট ম্যাচে দিনের শেষ ওভারে কোনো উইকেট পড়লেও ওভারটি সম্পূর্ণ করা হবে। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে নতুন ব্যাটারকে ওভারের বাকি বলগুলো মোকাবেলা করতে হবে, উইকেট পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আর খেলা শেষ হবে না। উইকেট রক্ষকের অবস্থানের ক্ষেত্রে এখন থেকে বল ছাড়ার পরেই উইকেট রক্ষককে স্ট্রাইকে থাকা ব্যাটারের স্টাম্পের সম্পূর্ণ পেছনে থাকতে হবে। বোলার যখন রান-আপে থাকবেন তখন এই শর্তটি আর প্রযোজ্য হবে না। বল ছাড়ার সময় গ্লাভস স্টাম্পের পেছনে রাখতে হবে। বল মাটিতে স্থির অবস্থায় থাকলে বা কোনো নন-উইকেট কিপার ফিল্ডারের হাতে থাকলেও আম্পায়ার চাইলে ডেড বল ঘোষণা করতে পারবেন।
হিট উইকেটের ক্ষেত্রে ব্যাটসম্যান শট খেলার পর ভারসাম্য হারিয়ে স্টাম্পে পড়ে গেলে সেটা হিট উইকেট ধরা হবে। একইসঙ্গে কোনো ফিল্ডারের সরাসরি সংস্পর্শে উইকেট ভাঙলে অর্থাৎ, ব্যাটারের হিট আউট সংক্রান্ত ঘটনায় প্রতিপক্ষ ফিল্ডারের সম্পৃক্ততা থাকলে সেটি ‘নট-আউট’।
নতুন নিয়মে স্পষ্ট পার্থক্য করা হয়েছে ওভারথ্রো ও মিসফিল্ডের মধ্যে। ওভারথ্রো শব্দটি কেবল স্টাম্প লক্ষ্য করে রানআউট করার চেষ্টা বা অতিরিক্ত রান ঠেকাতে করা থ্রো’র ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। থ্রো-এর পর মিসফিল্ড হলে সেটি আর ওভারথ্রো নয়।
বাউন্ডারি ক্যাচের ক্ষেত্রে ‘বানিহপ’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন আকাশে বল ধরার পর মাঠে নামার সময় পরবর্তী সব স্পর্শ মাঠের ভেতরেই হতে হবে। ইচ্ছাকৃত শর্ট রানিংয়ের ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যেমন- ইচ্ছাকৃত শর্ট রান নিলে সেটি বাতিল এবং পাঁচ রান জরিমানা, পাশাপাশি ফিল্ডিংরত অধিনায়ক স্ট্রাইকে কোন ব্যাটার থাকবেন তা ঠিক করে দেবেন।
