ফাইনালে যে কারণে ভারতে বিপক্ষে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। জমজমাট ফাইনালের মধ্য দিয়ে পর্দা নামছে আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের। আহমেদাবাদে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফাইনালের মঞ্চে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। তার আগে চলুন জেনে নেই।
পরিসংখ্যানের বিচারে এগিয়ে থেকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড।
২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই দেখা হয় ভারত ও নিউজিল্যান্ডের। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ড্যানিয়েল ভেট্টোরির অলরাউন্ড নৈপুন্যে ভারতকে ১০ রানে হারায় নিউজিল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৩৫ বলে ৭৬ রানের সূচনার পরও ৯ উইকেটে ১৮০ রানের বেশি করতে পারেনি ভারত। ৫ বলে ১৫ রান করার পর স্পিনার ভেট্টোরি ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন।
এরপর ২০০৯ সালের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মত দেখা হয় ভারত ও নিউজিল্যান্ডের। নাগপুরের সুপার টেনের ম্যাচে তিন স্পিনার মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি ও ন্যাথান ম্যাককালামের বোলিং নৈপুন্যে ভারতকে ৪৭ রানে হারায় কিউইরা।
প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৬ রান করে নিউজিল্যান্ড। ৫ উইকেটে ১২৭ রানে আটকে যায় কিউইরা। জবাব দিতে নেমে নিউজিল্যান্ডের তিন স্পিনারের ঘূর্ণিতে পড়ে ১৮.১ ওভারে ৭৯ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। স্যান্টনার ১১ রানে ৪টি, সোধি ১৮ রানে ৩টি ও ম্যাককালাম ১৫ রানে ২ উইকেট নেন।
আর ২০২১ বিশ্বকাপেও তৃতীয়ারের মত দেখা হয় ভারত ও নিউজিল্যান্ডের। দুবাইয়ে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১০ রান করে ভারত। ১১১ রানের টার্গেট সহজেই স্পর্শ করে ফেলে নিউজিল্যান্ড। ৩৩ বল বাকী রেখে ৮ উইকেটে জয় পায় কিউইরা।
সব মিলে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ মঞ্চে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। তিনবারই জিতেছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের কাছে কখনও হারেনি কিউইরা।
তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের রেকর্ড না থাকলেও টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে ভারতই। ৩০বারের দেখায় ভারত ১৬টিতে জিতেছে। নিউজিল্যান্ডের জয় ১১টিতে। ৩টি ম্যাচ টাই হয়। টাই হওয়া ম্যাচের মধ্যে ২টিতে সুপার ওভারে জয় পায় ভারত। অন্যটি বৃষ্টি আইনে রান সমান হওয়ায় টাই হয়।
