পয়েন্ট পেলেই সেমিতে নিউজিল্যান্ড , টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চার সেমিফাইনালিস্টের মধ্যে দুই দল নিশ্চিত হয়েছে। সুপার এইটের এক গ্রুপ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে। অন্য গ্রুপ থেকে শেষ চারে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। এরই মধ্যে সেমিফাইনালের দৌড় থেকে নিজেদের গুটিতে নিতে বাধ্য হয়েছে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা। বাকি চারটি দল সেমিফাইনালের অন্য দুই স্থানের জন্য লড়ছে। এ লড়াইয়ে রয়েছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল ভারত ও পাকিস্তান। সঙ্গে আছে নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সেমিফাইনালে ওঠার এ লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। ভারত মাঠে নামবে ১ মার্চ। আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান।
নিউজিল্যান্ডের পথটা বেশ কঠিন। আবার সহজও। জয় পেতেই হবে এমন নয়। জয় পেলেই ইংল্যান্ডের সঙ্গী হবে তারা-সেখানে আর যদি কিন্তু নেই। এমনকি কোনো কারণে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও একই স্বস্তি থাকবে নিউজিল্যান্ড শিবিরে। পাকিস্তানকে কাঁদিয়ে সেমিফাইনালে নাম লেখাবে নিউজিল্যান্ড।
প্রতিপক্ষ হিসেবে ইংল্যান্ড বেশ কঠিন। দলটি এ মুহুর্তে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। সুপার এইটের দুই ম্যাচের দুটোতেই জয় পেয়েছে তারা। প্রথম ম্যাচে হারায় শ্রীলঙ্কাকে। পরের ম্যাচে তাদের কাছে হার মানতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। এই হারই পাকিস্তানের সামনের পথ কঠিন করে দিয়েছে।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড শ্রীলঙ্কাকে হারালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে বাধ্য হয় তারা। ফলে দুই ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছে।
ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পষ্ট আধিপত্য ইংল্যান্ডের। ১৬ জয় তাদের। বিপরীতে নিউজিল্যান্ডের জয় ১০টিতে। একটা ম্যাচ টাই হয়েছে। পরবর্তীতে সেই ম্যাচের সুপার ওভারে আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে দল দুটো সাতবার মুখোমুখি হয়েছে। সেখানেও ইংল্যান্ডের আধিপত্য। তিন হারের বিপরীতে চারটিতে জয় তাদের।
প্রেমাদাসায় আগে ব্যাটিং দলই বেশি সফল
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এ ম্যাচেই নিউজিল্যান্ড ৬১ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে। ম্যাচে চার ছয়ের বন্যা বইতে পারে। কেননা বাউন্ডারি সীমানা বেশ ছোট। ৭৫ মিটারের পরিবর্তে ৬২ মিটার। বিশ্বকাপের এ পর্যন্ত মোট ছয়টি ম্যাচ এ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আগে ব্যাটিং করা দল জয় পেয়েছে। একবারই মাত্র রান তাড়া করা দল জয়ের দেখা পেয়েছে। রান তাড়া করা দলটি জিম্বাবুয়ে। তারা হারিয়েছিল স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩






















