বিপিএলে টানা চতুর্থ হার নোয়াখালীর । সেই সাথে সোমবার সিলেটে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে লজ্জার রেকর্ড গড়েছে দলটি। ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে ৬ উইকেটে হেরেছে তারা। এ জয়ের ফলে বিপিএলে ৬ ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে সিলেট। চার ম্যাচে এখনও পয়েন্ট শুন্য নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
৬২ রানের সহজ টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮.৪ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে। অবশ্য এদিন শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনকে হারায় সিলেট। ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ১ রানে বেলাল সামির বলে বোল্ড। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তৌফিক খান ও জাকের আলী দলকে এগিয়ে নেন। দলীয় ৫৪ রানে ভাঙে এ জুটি। তৌফিক ৩২ রান করে জকির খানের বলে বিদায় নেন। এরপর আরও দুই উইকেট হারায় তারা। জাকের ২৪ ও আফিফ ১ রান করে বিদায় নেন। তবে মঈন আলী ১ রান করে অপরাজিত থাকেন।
নাসুমের ঘূর্ণিজাদু
এর আগে সিলেটের স্পিনার নাসুমের বিষাক্ত স্পিনে ১৪.২ ওভারে ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নাসুম ৪ ওভারে ৭ রান দিয়ে একাই ৫ উইকেট শিকার করেন। এদিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৮ রানে ২ উইকেট হারায় নোয়াখালী। দলীয় ৩৩ রানে চার উইকেট হারায় তারা। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিল নোয়াখালী। কিন্তু নাসুম আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৫ রানের মধ্যে শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা। নোয়াখালীর চার ব্যাটার ডাক মেরেছেন।

চলতি আসরে বিপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ব্যর্থ সৌম্য সরকার। ৬ রান করে নাসুমের বলে ক্যাচ তুলে দেন। আর এক ওপেনার হাবিবুর রহমান ১৮ রান করে খালেদের বলে বিদায় নেন। লজ্জার দিনে নোয়াখালীর পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
এছাড়া আর কেউ সিলেটের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। ফলে ৬১ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী। বিপিএলে সর্বনিম্ন দলীয় রানের তালিকায় চারে তাদের এই ইনিংস। ২০১৯ সালে রংপুরের বিপক্ষে কুমিল্লার ৬৩ রানের পর এই প্রতিযোগিতায় এটাই সর্বনিম্ন দলীয় রান। এই তালিকায় ৪৪ রান করে সবার উপরে খুলনা, ২০১৬ সালে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল রংপুর।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
- নোয়াখালী ১৪.২ ওভারে ৬১/১০
- সিলেট ৮.৪ ওভারে ৬২/৬
- সিলেট ৬ উইকেটে জয়ী
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩


















