বাংলাদেশের রিভিউ নিয়ে অভিযোগ পাকিস্তানের

বাংলাদেশের রিভিউ নিয়ে অভিযোগ পাকিস্তানের

বাংলাদেশের রিভিউ নিয়ে অভিযোগ পাকিস্তানের। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের শেষ ওভারে ছিল নাটকীয়তায় ভরপুর। শেষ ২ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১২ রান। রিশাদের করা ওভারের পঞ্চম বল শাহীন ভালোভাবে কানেক্ট করতে পারেননি। আম্পায়ার কুমার ধার্মাসেনা ওয়াইড ডেলিভারির সঙ্কেত দেন।

বাংলাদেশ দল আলোচনা করে রিভিউ নেয়। রিভিউয়ে দেখা যায়, আফ্রিদির ব্যাটের সামনের দিকে সামান্য স্পর্শ করেছিল বল। ওয়াইডের সিদ্ধান্ত তাই বদলে যায়। ফলে সমীকরণ হয়ে যায় ১ বলে ১২।  পরে শেষ বলেও রান নিতে পারেননি আফ্রিদি, বরং স্টাম্পড হয়ে যান। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে নেয় ১১ রানে। আইপিএলে বা কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ওয়াইডের রিভিউ নেওয়ার নিয়ম থাকলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তা নেই।

বাংলাদেশ রিভিউ নেয় এলবিডব্লিউয়ের জন্যই। মূলত সেটি ছিল ট্যাকটিক্যাল সিদ্ধান্ত এবং সেটি আইনের মধ্যে থেকেই। রিভিউ নেওয়াতেই মাঠের আম্পায়ারের ভুলটা শুধরে যায় তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে। আম্পায়ার ধার্মাসেনা রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত দেওয়ার পরই মাটিতে মাঠ ছুড়ে হতাশা প্রকাশ করেন আফ্রিদি।

তিনি জানতেন, বল তার ব্যাটে স্পর্শ করেছে। আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাকে। এরপর ম্যাচ শেষে ব্যাপারটিকে আরও টেনে নেন হেসন। পাকিস্তানের কোচের অভিযোগ, মাঠের বড় পর্দায় রিপ্লে দেখে বাংলাদেশ রিভিউ নিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, রিপ্লে দেখে রিভিউ নেওয়ার সুযোগ নেই।

এছাড়া নির্ধারিত ১৫ সেকেন্ড পেরিয়ে যাওয়ার পর রিভিউ নিয়েছে বাংলাদেশ, এরকম ভাবনাও আছে পাকিস্তান দলে। টিভি প্রোডাকশন ও ম্যাচ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণত ব্যাটসম্যানের পায়ে বল লাগলে বা এলবিডব্লিউয়ের আবেদন হলে ‘ডিআরএস টাইমার’চালু করা হয়।

এখানে যেহেতু আম্পায়ার ওয়াইডের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন, সেজন্য টিভি আম্পায়ার তাৎক্ষণিকভাবে টাইমার চালু করেননি। কাজেই বোঝার উপায় ছিল না, আসলেই বাংলাদেশ নির্ধারিত সময়ের পরে রিভিউ নিয়েছে কি না।

পায়ে লাগলে বা এলবিডব্লিউয়ের আবেদন হলে মাঠের বড় পর্দায় তাৎক্ষণিক রিপ্লে দেখানো হতো না। ওয়াইডের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেই বড় পর্দায় রিপ্লে দেখানো হয়। তবে বড় পর্দায় দেখেই বাংলাদেশ রিভিউ নিয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত হওয়ার কোনো উপায় ছিল না আম্পায়ারদের।

 তাছাড়া এত সূক্ষ্মভাবে ব্যাটে স্পর্শ করেছ বল, শুধু রিপ্লে দেখে তা বোঝার উপায় নেই। আল্ট্রাএজ-এ স্পাইক ফুটে উঠেছে সামান্য। বিসিবির আম্পায়ার্স কমিটির সূত্র থেকে জানা গেছে, ম্যাচ শেষে আম্পায়ার কুমার ধার্মাসেনা বলেছেন, তিনি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ রিপ্লে দেখে রিভিউ নেয়নি।

Exit mobile version