হোয়াও পেদ্রোর হ্যাটট্রিকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দারুণ এক জয় পেয়েছে চেলসি। বুধবার রাতে অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলাকে তারা ৪-১ গোলে হারিয়েছে। চেলসির হয়ে কোল পালমার অন্য গোলটি করেন।
এ জয়ের ফলে চেলসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বাছাই পর্বে খেলার সম্ভাবন ধরে রেখেছে। যদিও তারা এখনো শীর্ষে চারে ঢুকতে পারেনি। তবে এ জয়ের ফলে সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। ২৯ ম্যাচ শেষে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে তারা। ৫১ পয়েন্ট নিয়ে ঠিক তাদের ওপরে রয়েছে অ্যাস্টন ভিলা। ৩০ ম্যাচ শেষে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে আর্সেনাল।
পয়েন্ট টেবিলে পাশাপাশি থাকায় চেলসি ও অ্যাস্টন ভিলার ম্যাচ নিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না। তবে ম্যাচের শুরুটা যে এমনভাবে হবে তা হয়তো কেউ কল্পনা করতে পারেনি। নিজেদের মাঠের খেলায় ম্যাচ শুরু হতে না হতেই ব্যবধান গড়ে নেয় অ্যাস্টন ভিলা। দ্বিতীয় মিনিটে ডগলাস লুইস করেন গোলটি। তার এ গোলের ফলে একদিকে অ্যাস্টন ভিলা যেমন এগিয়ে যায় অন্যদিকে চেলসির শিবিরে হতাশা দেখা দেয়। তবে ধীরে ধীরে সেই হতাশা কাটিয়ে ওঠে চেলসি এবং ম্যাচে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। তার পুরস্কারও ঘরে তোলে তারা।
কোচ লিয়াম রোজেনিরোর অধীনে গত দুই মাসের মধ্যে এটা চেলসির সেরা ম্যাচ। এ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের আত্মবিশ্বাসের মাত্রাও বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক।
গত বছরের শেষ সময়ে অ্যাস্টন ভিলা যেন মধুচন্দ্রিমা করছিল। একটা সময়ে ১৩ ম্যাচে মাত্র একটাতে হেরেছিল। চেলসি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল কেউ পাত্তা পায়নি। শুধুমাত্র লিভারপুলের কাছে হেরেছিল। কিন্তু বর্তমান সময়টা তাদের ভালো কাটছে না। সর্বশেষ ১০ ম্যাচের মাত্র তিনটাতে জয় তাদের। এ অবস্থায় ম্যাচের শুরুতে গোল করে তারা জয়ের ট্রাকে ফেরার স্বপ্ন দেখলিছল।
পেদ্রো দূর্দান্ত পারফরম্যান্সে তাদের সেই স্বপ্ন ধূলিস্যাত হয়ে যায়। প্রথমার্ধেই তিনি জোড়া গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ৩৫ মিনিটে প্রথম গোলের পর ইনজুরি সময়ে দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। ৬৪ মিনিটে পেদ্রো তার হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। তার আগে স্কোরশিটে নাম লেখান কোল পালমার। ৫৫ মিনিটে তার করা গোলের সুবাদে চেলসি ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল। ব্যবধানটা ৫-১ হতে পারতো। কিন্তু আলেহান্দ্রো গারনাচো গোলের যে সুযোগটা তিনি পেয়েছিলেন তা প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের হাতে তুলে দিয়ে নষ্ট করেন।
