বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এনএসসি। বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে-ক্লাব কর্তাদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
৫ সদস্যবিশিষ্ট স্বাধীন তদন্ত কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অনিয়মের দাবি করে গত ৮ মার্চ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বা এনএসসির দ্বারস্থ হন তামিম ইকবালসহ ক্লাব ক্রিকেটের কর্তাব্যক্তিরা। বিসিবি নির্বাচনে স্বচ্ছতা ছিল না দাবি করে দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমান বোর্ডকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে আসছেন তামিমরা।
কাউন্সিলরশিপ নিয়ে বিতর্ক থেকেই মূলত এর শুরু। ঢাকার ক্লাব সিলেকশন ও পোস্টাল ব্যালট নিয়েও তৈরি হয় অসন্তোষ। একপর্যায়ে তামিমসহ বড় একটি অংশ নির্বাচন বয়কট করেন। এর আগে এনএসসিতে অভিযোগপত্র দায়েরের পর গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তামিম বলেন,’আজকে আমরা একটা ফর্মাল কমপ্লেইন করতে এসেছি। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, ৭৬ ক্লাবের মধ্যে ৫০ ক্লাবই অভিযোগ জানিয়েছে যে নির্বাচক সঠিকভাবে হয়নি। এটাই তো অনেক কিছু প্রমাণ করে দেয়। আবাহনী-মোহামেডান সবচেয়ে বড় দুটি ক্লাব, তারাসহ সবাই একমত।’
বিসিবির বর্তমান পর্ষদকে অবৈধ মানছেন কি না, জানতে চাইলে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘এটা তো সময় বলবে। সঠিক পথে আবেদন করেছি আমরা। এগুলো সবই সেকেন্ডারি। ক্লাবগুলো একমত না বলেই লিগগুলো অনিশ্চিত হয়ে আছে। খেলা হচ্ছে না আমরা ভুলেই যাই। বোর্ডকে উত্তর দিতে হবে খেলা কেন হচ্ছে না।’
এতসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এনএসসি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। স্বাধীন তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিন (ক্রীড়া-১ অনুবিভাগ) মো. সেলিম ফকির, এনডিসি; ডিএমপির ডিবি এডমিন ও দক্ষিন, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম; ক্রীড়া সাংবাদিক এটিএম সাইদুজ্জমান এবং সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সালেহ আকরাম সম্রাট।
উল্লেখ্য’ তদন্ত কমিটি নির্বাচন নিয়ে ওঠা ২০ পাতার অভিযোগপত্র পর্যালোচনা করবে জানিয়ে এনএসসি উল্লেখ করেছে, পরবর্তী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে দাখিল করতে হবে।
