বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) প্রথম সাক্ষাতে ৭ উইকেটে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে হারিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। আজ ফিরতি ম্যাচেও চট্টগ্রামকে আবার হারিয়ে শীর্ষে উঠল রংপুর রাইডার্স । সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৭০ রানের টার্গেটে ৫ উইকেটে জিতেছে রংপুর ৭ বল হাতে রেখে। ফলে ৫ ম্যাচ শেষে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রামকে হটিয়ে শীর্ষে উঠল রংপুর। চট্টগ্রামের পয়েন্ট ৬।
টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রাম রয়্যালস ৪৮ রানে ২ উইকেট হারায়। ততক্ষণে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভার শেষ। রানের গতি ভালো থাকায় তৃতীয় উইকেটে মাত্র ৬১ বলে ৮২ রানের জুটি গড়েন ফর্মের তুঙ্গে থাকা এডাম রসিংটন ও হাসান নওয়াজ।
শেষ ৩ ওভারে আরও ৩৩ রান যোগ করে চট্টগ্রাম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৯ রান তোলে তারা। রসিংটন টানা তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ৪১ বলে ৬ চার, ২ ছক্কায় ৫৮ ও নওয়াজ ৩৮ বলে ২ চার, ৩ ছয়ে ৪৬ রান করেন।
শেষদিকে আমের জামাল ১০ বলে ৪ চারে ১৯ ও অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসান ৭ বলে ২ চারে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ২টি করে উইকেট নেন আকিফ জাভেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান।
জবাব দিতে নেমে ৮ বলে ১০ রান করা লিটন দাসকে দ্রুত হারিয়ে ফেলে রংপুর রাইডার্স। কিন্তু কাইল মায়ার্সের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৭২ রান তোলে তারা। দ্বিতীয় উইকেটে তিনি আর ডেভিড মালান ৬১ রানের জুটি গড়েন।

তবে মায়ার্স ২৫ বলে ৫ চার, ৪ ছক্কায় ৫০, তাওহিদ হৃদয় ১৫ বলে ১ ছয়ে ১৭ ও মালান ৩০ বলে ৪ চারে ৩০ রানে দ্রুত সময়ের ব্যবধানে আউট হন। এতে কিছুটা চাপে পড়ে রংপুর। কিন্তু পাঁচে নামা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও খুশদিল শাহ রংপুরকে গন্তব্যে পৌঁছার রাস্তা করে দেন।
খুশদিল ১২ বলে ২ চার, ১ চেয়ে ২২ রানে বিদায় নিলেও মাহমুদউল্লাহ ১৯ বলে ৩ চার, ১ ছয়ে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৮.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭০ রান তুলে অনায়াস জয় পায় রংপুর। শরিফুল ইসলাম ৪ ওভারে ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চট্টগ্রাম রয়্যালস: ২০ ওভারে ১৬৯/৫ (রসিংটন ৫৮, হাসান নেওয়াজ ৪৬, জামাল ১৯*; আকিফ ২/২৯, মোস্তাফিজ ২/৩২, রাকিবুল ১/৪২)।
রংপুর রাইডার্স: ১৮.৫ ওভারে ১৭০/৫ (মায়ার্স ৫০, ম্যালান ৩০, মাহমুদউল্লাহ ৩০*, খুশদিল ২২; শরীফুল ৩/৩৭, হায়দার ১/২৯, জামাল ১/৩৬)।
ফল: রংপুর রাইডার্স ৫ উইকেটে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: কাইল মায়ার্স।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩













