কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম বার্সেলোনার কাছে রিয়ার মাদ্রিদ বিধ্বস্ত

গোলের পর বার্সেলোনার ইওয়া পাজোর

নারী উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার কাছে বিধ্বস্ত রিয়াল মাদ্রিদ। অ্যাওয়েতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের খেলায় শিরোপা প্রত্যাশী দলটি ৬-২ গোলে জয় পেয়েছে। জয়ী দলটি প্রথমার্ধে ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল।

বার্সেলোনার হয়ে গোল করেন ইওয়া পাজোর, এসমি ব্রুগটস, ইরিনা পারেদেস, ভিকি লোপেজ ও অ্যালেক্সিয়া পুতেলাস। পাজোর জোড়া গোল করেন। রিয়াল মাদ্রিদের করা দুটো গোলই করেন লিন্ডা কাইসেদো।

সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে বার্সেলোনা

প্রথম লেগের অ্যাওয়েতে বিশাল জয়ের ফলে বার্সেলোনার সেমিফাইনাল ওঠা অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গেছে। কেননা ফিরতি লেগে তারা নিজেদের মাঠে খেলবে। এ জয়ের ফলে রেকর্ড টানা অষ্টমবারের মতো বার্সেলোনা সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে।

রেকর্ড জয় বার্সেলোনার

বার্সেলোনার কাছে রিয়াল মাদ্রিদের এই বিধ্বস্ত হওয়া নতুন কোনো ঘটনা। এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত হয়ে আসছে। এল ক্ল্যাসিকোর ২৩ লড়াইয়ে বার্সেলোনার এটা ২২তম জয়।

ম্যাচের শুরুতেই বার্সেলোনা আধিপত্য বিস্তার করে। ফলে গোল পেতে মোটেও দেরি করতে হয়নি। মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যে জোড়া গোলের দেখা পায় তারা। ইওয়া পাজোর ষষ্ঠ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর এসমি ব্রুগটস ব্যবধান দ্বিগুন করেন। ম্যাচের বয়স আধাঘন্টার সময় রিয়াল মাদ্রিদ ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচে একটা উত্তেজনার আবহাওয়া তৈরি করেছিল। শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। প্রথমার্ধেই আরও এক গোল করে বার্সেলোনা ৩-১ গোলে এগিয়ে যায়।

গোলের পর আর্সেনালের রুশো

আর্সেনাল ৩-১ চেলসি

বার্সেলোনার পাশাপাশি আর্সেনালও সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ঘরোয়া লিগের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী চেলসিকে তারা ঘরের মাঠে প্রথম লেগের খেলায় ৩-১ গোলে হারিয়েছে। আর্সেনালের হয়ে স্টিনা ব্লাকস্টেনিয়াস, কেলি ও আলেসিয়া রুশো গোল করেন। চেলসির হয়ে ব্যবধান কমান লরেন জেমস।

ম্যাচের ফল অবশ্য ভিন্ন হতে পারতো যদি চেলসি ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া সুযোগটি কাজে লাগাতে পারতো। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে চেলসির আলিসা থম্পসন সুযোগটি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন। দুই মিনিট পর আবারও সুযোগ পেয়ে ব্যর্থ হয় চেলসি। জেমসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

২২ মিনিটে প্রথম গোল

শেষ পর্যন্ত গানার্সরা ২২ মিনিটের সময় গোলের দেখা পায়। এ গোল যেনো আর্সেনালের গোলের পথ দেখিয়ে দেয়। ফলে ব্যবধান বাড়াতে মোটেও অপেক্ষা করতে হয়নি। ৩২ মিনিটে তারা ব্যবধান দ্বিগুন করে। দ্বিতীয়ার্ধে লরেন জেমস ব্যবধান কমিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমিয়ে তোলে। কিন্তু ৭৬ মিনিটে রুশোর গোল আর্সেনালের জয় নিশ্চিত করে।

Exit mobile version