যে কারণে ওয়ানডে ক্রিকেটেও ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ , বাংলাদেশের পছন্দের ওয়ানডেতে ব্যর্থতার কারণ জানালেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার মতে, দীর্ঘ বিরতির কারণে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সে নেতিবাচকভাবে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।
অথচ একটা সময় ওয়ানডে ফরম্যাটে শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু গেল বছর মাত্র তিনটি ওয়ানডে সিরিজের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে অংশ নেয় বাংলাদেশ। এই সময়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য দলের প্রাথমিক মনোযোগ সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ক্রিকেটের দিকে ছিল।
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজেদের মেলে ধরতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। শ্রীলংকার কাছে ২-১ ব্যবধানে এবং আফগানিস্তানের কাছে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে টাইগাররা। তবে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ।
গত বছরের অক্টোবরে সর্বশেষ ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রায় দীর্ঘ পাঁচ মাস পর চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ দিয়ে আবারও ওয়ানডে ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছে টাইগাররা।
বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের ব্যর্থতায় নিয়ে অধিনায়ক মিরাজ বলেন,
অস্বীকার করার উপায় নেই, আমাদের ওয়ানডে ফর্মে অবনতি হয়েছে। এটা মূলত গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির কারণে হয়েছে। আমরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উপর বেশি মনোযোগ দিয়েছিলাম। ঐ সময় আমরা খুব কম ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেছি এবং নিয়মিত ম্যাচ অনুশীলনেরও অভাব ছিল।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট ফরম্যাটে পর্যাপ্ত ক্রিকেট খেলা না হলে, পারফরমেন্সে উপর প্রভাব ফেলে। আমাদের ক্ষেত্রে ঠিক এটাই হয়েছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারব।
আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশের জন্য আসন্ন প্রতিটি সিরিজই গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে দল ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানান মিরাজ।
পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুত নিয়ে তিনি বলেন,
পাকিস্তান সিরিজের প্রস্তুতি নিতে আমরা বিসিএল ওয়ানডে প্রতিযোগিতা খেলেছি। এই পর্যায়ে প্রতিটি সিরিজ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিসিএলের মাধ্যমে আমরা দারুণ প্রস্তুতি নিয়েছি। কারণ আমরা খুব ভাল উইকেটে খেলতে পেরেছি।
মিরাজ আরও বলেন, ‘বিসিএলে একটি ম্যাচে ৩২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা হয়েছে। যা ওয়ানডে ফরম্যাটের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ। আমরা টুর্নামেন্টে নিয়মিত ৩শ রানও করেছি। যা ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
