রোজা শরীর দুর্বল করে না, বরং শক্তি বাড়িয়ে তোলে বলে মন্তব্য করেছেন সিকান্দার রাজা। আত্মশুদ্ধি, সংযম আর ইবাদতের মাস মাহে রামাদান। এই মাসটি মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সময়। এই সময়টায় রোজা ফরজ ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের জন্য।
তাই চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো ময়দানেও রোজা রেখে খেলছেন সিকান্দার রাজা। শুধু কি খেলছেন? রীতিমতো বাজিমাত করছেন। শ্রীলঙ্কার মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার মহাকাব্যিক সেই ব্যাটিং তো এখনও চোখে লেগে আছে।
অথচ সেই অবিশ্বাস্য ইনিংস রাজা খেলেছেন রোজা রেখে। ব্যাটিংয়ের ফাঁকে মাঠেই সেরে নিয়েছেন ইফতার। ক্রিকেট বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফোর সাথে আলাপকালে রাজা জানিয়েছেন, রোজা রাখার কারণে তিনি মোটেও দুর্বল অনুভব করেননি। বরং আরও শক্তি বেড়ে গেছে বলেই মনে হয়েছে।
এছাড়া সিকান্দার রাজা বলেন, ‘সেহরি পর্যন্ত সজাগ ছিলাম। ঘুমাতে যাইনি, কারণ ভাবছিলাম উঠতে পারব তো? তাই সেহরি পর্যন্ত সজাগই ছিলাম। এরপর দুধ, খেজুর, মধু, কিছু ফলমূল এসব দিয়ে সেহরি করলাম।‘
এরপর রোজা রেখে ব্যাট হাতে নেমে রাজা যেন বাড়তি আত্মবিশ্বাসই পাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রোজা আপনাকে সেই এনার্জি এনে দিবে। কখনও কখনও একটু কঠিন মনে হতে পারে। তবে বিশ্বাস করুন, রোজা আসলে শক্তি কেড়ে না নিয়ে শক্তি আরও বাড়িয়ে তোলে।‘
জিম্বাবুয়ে নিজেদের গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েই এসেছে সুপার এইটে। শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ জিতে চমকে দিয়েছে ক্রিকেট দুনিয়াকে। তবে এখনও জিম্বাবুয়ে অনেকটাই মাতামাতির বাইরে, যা কষ্ট দেয় জিম্বাবুইয়ান অধিনায়ককে।
তিনি বলেন, ‘অনেকেই জানে না জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড যে টেস্ট খেলুড়ে দেশ। অনেকাংশে এমন বলা হয়- সহযোগী দেশগুলো ভালো করছে, জিম্বাবুয়েকে দেখো, আয়ারল্যান্ডকে দেখো। মানুষ হোমওয়ার্ক না করেই মুখ খুলে বসে। যা-ই পায় তা নিয়ে কথা বলে বসে।‘
বিশ্বকাপ নিয়ে রাজা আরও বলেন, ‘গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দলেরই ভালো সুযোগ ছিল। স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই-ই করেনি, তাদেরও সুপার এইটে আসার ভালো সুযোগ ছিল। তাদের ক্রিকেট আমি প্রচুর দেখি। বিশ্বকাপে সবার সমান সুযোগ।‘
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩











