সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন শানাকা

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন শানাকা

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন শানাকা

চলতি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে শ্রীলঙ্কার বিদায়ের পর ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন শানাকা । নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর অধিনায়ক দাসুন শানাকা হতাশার সুরে কথা বলেছেন।

একই সাথে টানা খারাপ ফলের পেছনে তিনি বাইরের অতিরিক্ত সমালোচনা, উইকেটের আচরণ এবং ফিটনেস সমস্যাকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্যের স্বার্থে সরকারের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছেন।

বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে চার ম্যাচে তিনটিতে দাপটে জয়ের সাথেই সুপার এইটে পা রেখেছিল শ্রীলঙ্কা। তবে সুপার এইটে এসে আবারো ফিরেছে পুরানো রূপে। প্রথম দুই ম্যাচেই হেরে সুপার এইটের প্রথম দল হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলা শ্রীলঙ্কা।

ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের কাছে হারে তাদের এই বিদায়। বিশ্বকাপের আগে থেকেই সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচনার মুখে ছিল শ্রীলঙ্কা দল। দেশটির ক্রিকেট সমর্থকরা খেলা দেখা বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

গ্যালারিতে দর্শক টানতে টিকিট ছাড়া বিনামূল্যে ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করে এসএলসি। তবে তাতেও লাভ হয়নি। লঙ্কান অধিনায়ক শানাকার মতে, সেই নেতিবাচক পরিবেশ দলের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন,

আমরা বেশিরভাগ সময় যা দেখি ও শুনি, তা নেতিবাচক কথা। আমরা ক্রিকেটার হিসেবে যতই ইতিবাচক থাকার চেষ্টা করি না কেন, বাইরে সব সময় নেতিবাচকতা থাকে। এটা শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটের জন্য বড় ক্ষতি। এটাই আমাদের একমাত্র খেলা, আর আমরা আদৌ এটাকে রক্ষা করতে পারব কি না জানি না। স্টেডিয়ামের বাইরে তাকালেই দেখবেন, কত মানুষ মাইক্রোফোন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে; অনেকে ম্যাচ না দেখেই মন্তব্য করে বসে।

এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ব্যাটিংবান্ধব উইকেটের প্রত্যাশার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। শানাকা বলেন,

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে বলেছিলাম, আমি আশা করছি উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো হবে। শ্রীলঙ্কার সেরা ব্যাটাররা এখানে আছে। আমরা এমন খেলোয়াড় বেছে নিয়েছি, যাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো স্ট্রাইক রেট ও সামর্থ্য আছে। কাউকে জোর করে আনা হয়নি। কখনও কখনও আমরা প্রত্যাশিত কন্ডিশন পাই না, আর অপ্রত্যাশিতভাবে ম্যাচ হেরে যাই। যা হয়েছে, তাতে আমরা খুবই দুঃখিত।

সবশেষে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে শানাকা বলেন,

বিশ্বকাপে দল সব সময় সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করে। এখানে থাকা কারও হয়তো আর শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ হবে না। সেমিফাইনালে ওঠার ইচ্ছা সবারই ছিল। কিন্তু আমরা প্রত্যাশার প্রতি সুবিচার করতে পারিনি। সমর্থকদের যা দিতে চেয়েছিলাম, তা দিতে পারিনি। এজন্য আমরা দুঃখিত।

Exit mobile version