একজন অলরাউন্ডার খুঁজছেন নির্বাচকরা

একজন অলরাউন্ডার খুঁজছেন নির্বাচকরা

আগামী বছর বসছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে দুশ্চিনায় টিম ম্যানেজমেন্ট। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ার কন্ডিশনের বিশ্বকাপের কন্ডিশনে ছড়ি ঘোরাবেন পেসাররাই। সে লক্ষ্যে দলের জন্য একজন জুতসই পেস বোলিং অলরাউন্ডার খুঁজছেন নির্বাচকরা।

জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার বলেন,‘পেস বোলিং অলরাউন্ডার থাকলে আপনি ৩-৪ সিমার নিয়ে খেলতে পারেন। শেষদিকে তেমন ব্যাটারও থাকে না। তাই পেস বোলিং অলরাউন্ডার থাকা খুব জরুরী। এ মুহূর্তে রেডিমেড তেমন হাতে নেই। জুনিয়র সিলেক্টরের সাথে কথা বলছি, যদি ওখানে কেউ থাকে।’

একই সাথে বিশ্বকাপের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন,‘ আমরা ভাগ্যবান সামনে ‘এ’দল ও হাই পারফরম্যান্সের খেলা আছে। বলেছি ৬ বা সর্বোচ্চ ৭ মাসের মধ্যে কিছু খেলোয়াড়দের দেখে নিব। ঐ কন্ডিশনে হয়ত বাড়তি পেস বোলার নিয়ে খেলব। সে যেন ব্যাটিংও পারে সেটা গুরুত্বপূর্ণ।’

বাংলাদেশ অবশ্য এখন পেস বোলিংয়ে সমৃদ্ধ। ফলে চোট প্রবণ পেসারদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানোর বিলাসিতা রয়েছে। প্রধান নির্বাচক জানান, আমরা খুব ভাগ্যবান যে এখানে রোটেশন করলেও সমস্যা হয় না। এই ডিপার্টমেন্ট বেশ সমৃদ্ধ। বাইরে যারা আছেন তারা ভেতরে যারা আছেন তাদের মতোই ভালো। ইঞ্জুরি ম্যানেজমেন্টের কিছু ব্যাপার থাকবে কারণ ওয়ার্কলোডের কিছু ব্যাপার আছে।’

সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমাদের বাইরে যারা আছে তারা বেশ ভালো। হাসান মাহমুদ, তানজিম সাকিব বাইরে বসে আছে। তারাও খুব ভালো বোলার। কম্পেয়ার করলে খুব বেশি পার্থক্য খুঁজে পাবেন না। যারা দলের বাইরে তারা যথেষ্ট অভিজ্ঞ।’

অবশ্য বিশ্বকাপের একাদশ নিয়ে মুধুর সমস্যাও আছে নির্বাচকদের। প্রায় হাফ ডজন পেসারদের মধ্য থেকে সেরাদের নিয়েই বিশ্বকাপের পরিকল্পনা করতে হবে। সেই তালিকায় সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ। এছাড়া পেসার শরিফুল ইসলাম তো আছেই।

বাকিদের মধ্যে বিশ্বকাপের পরিকল্পনায় আছেন নাহিদ রানা, তানজিম হাসান সাকিব। এছাড়া পেস বোলিং অলরাউন্ডারের তালিকায় আছেন সাইফউদ্দিন। অবশ্য এই তালিকায় হাসান মাহমুদকে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। সব কিছু মিলে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়েই আগামী বিশ্বকাপের পরিকল্পা করছে বিসিবি।

Exit mobile version