রাজার অপরাধে শাস্তি পেলেন শাহীন। পাকিস্তান সুপার লিগে সিকান্দার রাজার অপরাধের বড় অঙ্কের জরিমানা গুনেছেন লাহোর কালান্দার্স অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদি। নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাকে জরিমানা করেছে লাহোর কালান্দার্স কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তার শাস্তির বিষয়টি জানিয়েছে লাহোর।
এ ঘটনায় শাহীনকে ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করেছে পিএসএলের দল লাহোর। পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। এটি কোনো ইচ্ছাকৃত নিয়ম লঙ্ঘন ছিল না; বরং ভুল–বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির দাবি, ‘ ঘটনাটি জনসমক্ষে যেভাবে এসেছে, সেটা অতিরঞ্জিত এবং আসল প্রসঙ্গ ছাপিয়ে যায়।’ কালান্দার্সের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শৃঙ্খলার স্বার্থে ও দৃষ্টান্ত স্থাপনে শাহিন আফ্রিদির সংশ্লিষ্টতার কারণে তাকে ১০ লাখ রুপি জরিমানা করার স্বপ্রণোদিত পদক্ষেপ নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজি। এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণসহ একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও (পিসিবি) দেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত শনিবার রাতে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও সিকান্দার রাজার সঙ্গে চারজন অননুমোদিত দর্শনার্থী দেখা করতে আসেন। নিরাপত্তাকর্মী ও পিসিবি কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ করা সত্ত্বেও দর্শনার্থীদের খেলোয়াড়দের ফ্লোরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
অনুমতি না মেলা সত্ত্বেও নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে শাহিন ও রাজা সেসব দর্শনার্থীকে হোটেলের রুমে নিয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় তিন ঘণ্টা অবস্থান করেছিলেন বলে পিএসএল প্রধান নির্বাহী সালমান নাসিরের কাছে পাঞ্জাব পুলিশের পাঠানো চিঠিতে দাবি করা হয়।
যদিও সিকান্দার রাজা দাবি করেন, দর্শনার্থীদের সঙ্গে তারা ‘প্রায় ৪০ মিনিট ওপরে’ছিলেন। ঘটনা দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রাজা বলেছিলেন , ‘দোষ আমার, শাহীনের নয়। আমার অনুরোধেই সে নিচে যায়। কারণ, তারা আমার পরিবার ও বন্ধু; আমি তাদের সঙ্গে বিজনেস সেন্টারে দেখা করতে চাইনি।’
রাজা দায় নিলেও শাহীন শাস্তির হাত থেকে রেহায় পাননি। লাহোরের প্রকাশিত বিবৃতিতে বিষয়টিকে ভুল বোঝাবুঝির বিষয় সামনে এনে বলা হয়, ‘ প্রতিষ্ঠিত কোনো নিয়ম লঙ্ঘনের কোনো ইচ্ছাকৃত প্রচেষ্টা থেকে নয়, বরং একটি ভুল বোঝাবুঝি থেকে বিষয়টি উদ্ভূত হয়েছে—এই বিষয়টির ওপর জোর দিয়ে লাহোর কালান্দার্স সমস্ত নিরাপত্তা বিধির প্রতি তাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
