আলোচনার জন্য এটা মোটেই উপযুক্ত সময় নয়। তবুও বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর রাহুল দ্রাবিড় আর ভারতীয় দলের কোচ থাকছেন না!
২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারতীয় দলের দায়ীত্ব নেন দ্রাবিড়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ। দায়ীত্ব নেয়ার পর তার কোচিংয়ের ধরন, দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতে তার সাফল্য এবং টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলাসহ তাকে সফল হিসেবেই ধরে নেয় যায়।
কিন্তু বিশ্বকাপের পর তার সাথে চুক্তি নবায়নের বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড. বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে কোন আলোচনা করা হয়নি। ফলে ধরেই নেয়া হচ্ছে বিশ্বকাপের পর পরই রাহুল দ্রাবিড়কে আর মেন ইন ব্লুদের দায়ীত্বে দেখা যাবে না। দ্রাবিড়ের অধীনে তিনটি আইসিসি টুর্নামেন্ট খেলেছে ভারত। ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০২৩ সালের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপের পর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত। বিশ্রামের কারণে এই সিরিজে খেলবেন না ভিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, কেএল রাহুল, ও জসপ্রিত বুমরা। নেতৃত্ব দেয়ার কথা অলরাউন্ডার হার্ডিক পান্ডিয়ার। যদিও বিশ্বকাপ চলাকালীন বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচেই গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েছেন হার্ডিক। গুঞ্জন আছে এই সিরিজে দলের কোচ হিসেবে দায়ীত্ব পালন করবেন ভিভিএস লক্ষণ। এর আগে রাহুল দ্রাবিড়ের অনুপস্থিতিতে দলকে অনুশীলন করিয়েছেন লক্ষণ। এবারও সেপথেই হাটবে বিসিসিআই।
২০০৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছিলো ভারতীয় দল। সে সময় দলের অধিনায়ক ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। এবার তার কোচিংয়ে ভারত তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতবে এমনটাই বিশ্বাস দলটির সমর্থকদের। কিন্তু ১৯ নভেম্বর আহমেদাবাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ফাইনালে খেলবে কিনা, খেললেও চ্যাম্পিয়ন হবে কি না সেসব বাদ দিয়ে দলের কোচ নিয়ে আলোচনা তৈরি হওয়ার বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নিচ্ছেন না দেশটির ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।
কে হতে পারেন ভারতের পরবর্তী কোচ?
ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমি (এনসিএ) তে পরিচালক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন ভিভি এস লক্ষণ। কিন্তু এনসিএ আর জাতীয় দলের পূর্ণকালীন কোচের দায়ীত্ব এক নয় বলে নতুন মুখ খুঁজবে বিসিসিআই। বিশ্বকাপের পরই দেয়া হবে বিজ্ঞাপন। ব্যাটিং কোচ হিসেবে অনেকেরই পছন্দ সিতাংশু কোটাক। ভারতের ‘এ’ দলকে কোচিং করিয়েছেন তিনি।