মঙ্গলবার মন্ত্রী পরিষদের জন্য নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। পরে মন্ত্রনালয় বন্টন করে সরকারি গেজেট হওয়ার মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন তারা। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক আজই প্রথম সচিবালয়ে অফিস করেছেন। নিজের প্রথম কার্য দিবসে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে ৯টি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন তিনি।
প্রথম দিনে সাধারণত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মত বিনিময় বা কুশলাদি হয়ে থাকে। তবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম দিন অফিসে এসেই ৯টি কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান কোন কাজটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

আজ প্রথম কর্ম দিবসেই আমিনুল তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে চারটি ক্রীড়া সংস্থা- জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া পরিদপ্তর, বিকেএসপি, ক্রীড়া কল্যাণসেবী ফাউন্ডেশন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নয়টি কর্মসূচি এই চারটি সংস্থার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়নের জন্য আনুষ্ঠানিক সূচি প্রকাশ করেছে।
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব আলম ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বন্টনের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে।
নয়টি কর্মসূচি যেভাবে বাস্তবায়ন করা হবে
খেলাধূলার জন্য প্রয়োজন সরঞ্জাম। বাংলাদেশ অধিকাংশ সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনে। দেশে সেই সরঞ্জাম তৈরি এবং সামনে রপ্তানির পরিকল্পনা করছেন আমিনুল। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর। খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও খেলার জন্য প্রয়োজন অর্থ দেবে।
ফেডারেশনকে সরকার থেকে তেমন আর্থিক অনুদান দেয়া হয় না। পৃষ্ঠপোষকরাও সেভাবে ফেডারেশনের পাশে দাঁড়ায় না। নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকে একেকটি খেলা কিংবা ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন। এই দায়িত্ব বাস্তবায়ন করবে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
খেলাকে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে নিতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এজন্য উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করতে হবে। ক্রীড়া পরিদপ্তর এই বিষয়টি দেখভাল করবে। ৬৪ জেলায় ইনডোর ভিলেজ স্থাপনের দায়িত্ব বর্তেছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) ওপর।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩















