জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট, দক্ষ ক্রীড়া সংগঠক ও বিকেএসপি-র সাবেক উপ-পরিচালক শামিমা সাত্তার মিমু-র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। শনিবার এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শামিমা সাত্তার মিমু ছিলেন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব।
অ্যাথলেট হিসেবে একসময় খ্যাতি অর্জণের পাশাপাশি পরবর্তীতে প্রশিক্ষক ও সংগঠক হিসেবে দেশের অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মৃত্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন একজন দক্ষ অভিভাবক ও সত্যিকারের ক্রীড়াপ্রেমীকে হারালো। বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে তাঁর কৃতিত্ব ও কর্মময় জীবন নতুন প্রজন্মের অ্যাথলেটদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট মিসেস শামিমা সাত্তার মিমু গতকাল শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টায় (১৩ মার্চ ২০২৬) ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।
মিমু দীর্ঘদিন ধরে ভার্টিগো ও হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মরহুমার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে দিনাজপুরে তাঁর পিতার কবরের পাশে দাফন করার জন্য ঢাকার বাসভবন থেকে দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
তিনি বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রশিক্ষক ও বিচারক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে, বিশেষ করে অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩

















