মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল অঙ্গনেও সমান তালে বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ । আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি আসর তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ডিজিটালি সম্পৃক্ত ও বৈশ্বিকভাবে সহজপ্রাপ্য টুর্নামেন্ট হয়ে উঠছে।
আইসিসির নিজস্ব স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম আইসিসি টিভি সুপার এইট পর্বে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ চলাকালে একযোগে দর্শকের নতুন রেকর্ড গড়েছে। এটি ছাড়িয়ে গেছে ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের সময়কার সর্বোচ্চ রেকর্ডকেও।
শুধু তাই নয়, ২০২৬ আসর ইতিমধ্যে ২০২৪ সালের পুরো টুর্নামেন্টে অর্জিত মোট ব্যবহারকারী ও মোট দেখার সময়ের হিসাব অতিক্রম করেছে। আগের আসরের একই পর্যায়ের তুলনায় ইউনিক ব্যবহারকারী বেড়েছে ২৮ শতাংশ এবং মোট প্লেটাইম বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আইসিসির উপস্থিতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে ভিডিও ভিউ ১০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে এবং ২০২৪ সালে অর্জিত ১৬ বিলিয়ন ভিউয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে।
দর্শক সম্পৃক্ততার গভীরতাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। প্রতি ইউনিক ব্যবহারকারীর গড় দেখার সময় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ মিনিটে, যেখানে ২০২৪ সালের সুপার এইট শেষে ছিল ৪৭ মিনিট। অর্থাৎ দর্শকসংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি খেলা দেখার সময়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বহুভাষিক সম্প্রচার এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মোট দেখার সময়ের প্রায় অর্ধেকই এসেছে ইংরেজির বাইরে বিভিন্ন ভাষার ফিড থেকে। হিন্দি, উর্দু, নেপালি, জাপানি ও বাহাসা ইন্দোনেশিয়া ভাষায় সম্প্রচার বিশ্বজুড়ে ভিন্ন ভাষাভাষী দর্শকদের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
অপ্রচলিত বাজার গুলোতেও চোখে পড়ার মতো প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এসব অঞ্চলে ব্যবহারকারী বেড়েছে ৬৯ শতাংশ। ২০২৪ সালের তুলনায় জার্মানিতে ইউনিক ব্যবহারকারী বেড়েছে ১৫০ শতাংশ এবং ইতালিতে ১৩৬ শতাংশ।
জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও ভিউ ও ব্যবহারকারী উভয় ক্ষেত্রেই ১০০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
সব মিলিয়ে আইসিসির তথ্য বলছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ কেবল মাঠের লড়াইয়ে নয়, বৈশ্বিক দর্শক সম্পৃক্ততা ও ডিজিটাল বিস্তৃতিতেও নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে।
স্কোর কার্ড
বিশ্বকাপ ২০২৩



















