বিসিবির দায়িত্ব নিয়েই  নির্বাচন করার ঘোষণা তামিমের

তামিম ইকবাল

বিসিবির দায়িত্ব নিয়েই  নির্বাচন করার ঘোষণা তামিমের। নির্বাচনে অনিয়মের কারণ দেখিয়ে ছয় মাসের মাথায় ভেঙে দেওয়া হয়েছে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ কমিটি। একইসঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) নতুন করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটির প্রধান বা সভাপতি করা হয়েছে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে।

কমিটির বাকি সদস্যরা হচ্ছেন–ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতহার আলি খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রাশনা ইমাম। এর মধ্যে ফাহিম সিনহা সর্বশেষ ফারুক আহমেদ এবং তার আগে নাজমুল হাসান পাপনের বোর্ডে পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।

অর্থাত আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দেওয়া এই কমিটির প্রধান কাজ। আসন্ন বিসিবি নির্বাচনে কি তামিম বা বর্তমান এডহক কমিটির সদস্যরা অংশ নেবেন– সেই প্রশ্নের জবাবে দেশের ক্রীড়া আইন বলছে, এ ব্যাপারে কোনো বাধা নেই। ফলে তামিমদের নির্বাচন করতেও কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

সভাপতি হওয়ার পর রাতে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল, ‘অবশ্যই আমরা নির্বাচন করব। এখানে ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করতে হবে। আমার ইচ্ছা থাকতে পারে আমি (নির্বাচন) করতে পারি। (রফিকুল ইসলাম) বাবু ভাইয়ের ইচ্ছা থাকতে পারে, উনি করতে পারে। যখন একটা ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশন হবে…শুধু আমরা নই, যারা যারা আগ্রহী, সবাইকে অনুরোধ করব অংশগ্রহণ করতে।’

এছাড়া তামিম বলেন,‘ একটা বোর্ডের নির্বাচন হবে, এটা যারা যারা আছেন, বোর্ডের ক্রিকেটাররা, সংগঠক, সবার অংশ নেওয়া উচিত। আমরা যেন একটা সুন্দর নির্বাচন করে দিয়ে যেতে পারি, এই অবস্থানটা আমরা এই পরিবেশ তৈরি করে দেব, যেখানে সবাই এসে নির্বাচন করতে পারবে’, আরও যোগ করেন সাবেক এই দেশসেরা ওপেনার।

এর আগে তামিম তিন মাসের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের কথা জানিয়েছেন। যদিও নির্বাচনকালে তিনি দায়িত্বে থাকবেন কি না সেটি এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগে বুলবুল নেতৃত্বাধীন বোর্ডের বিরুদ্ধে এনএসসির তদন্ত কমিটি প্রমাণিত অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরে– নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপ, ই-ভোটিং নিয়ে কারচুপি এবং বুলবুলের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার।

Exit mobile version