ফুটবল বিশ্বকাপে টিকটকের সঙ্গে চুক্তি ফিফার
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ফুটবল বিশ্বকাপ আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে। এই মুহূর্তগুলো আরও ভালোভাবে ধারণ ও প্রচারে বিশ্বকাপ ফুটবল প্রচারে ফিফার সঙ্গে টিকটকের চুক্তি হয়েছে । তাতে দুই পক্ষের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে।
আগামী বিশ্বকাপে অংশ নেবে সর্বাধিক ৪৮টি দল। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় আয়োজিত এই আসর শুধু সম্প্রচারে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে না। তাই ফিফা এবার জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের সঙ্গে সুদৃঢ় এক সমঝোতায় গেছে।
ফিফার সঙ্গে চুক্তি হলেও বিশেষ করে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্যই এই চুক্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যেখানে টিকটক একটি প্রধান অংশীদার হিসেবে থাকবে এবং ভক্তদের জন্য পর্দার পেছনের দৃশ্য, বিশ্বব্যাপী নির্মাতাদের প্রোগ্রাম এবং সামগ্রীর প্রবেশাধিকার দেবে। এটি বিশ্বব্যাপী ফুটবলের জনপ্রিয়তা এবং ভক্তদের সাথে যুক্ত থাকার জন্য ফিফার কৌশলকে শক্তিশালী করছে।
নারী বিশ্বকাপে এই প্রক্রিয়াটি বেশ কাজে দিয়েছে এবং ফিফা সফল হয়েছে। এখন পুরুষদের বিশ্বকাপে এর ব্যাপক প্রসার ঘটছে, যেখানে উভয় প্ল্যাটফর্মই ফুটবলের উত্তেজনা ভক্তদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
এই চুক্তির প্রধানতম দিক হচ্ছে – ফিফা এবং টিকটকের মধ্যে এটি একটি বড় ধরনের অংশীদারিত্ব, যা ফিফার সোশ্যাল মিডিয়া কৌশলের অংশ। এই অংশীদারিত্বের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ, যেখানে টিকটকে একটি ডেডিকেটেড হাব থাকবে।
আগামী ফুটবল বিশ্বকাপে কোটি কোটি দর্শক-ভক্তরা পর্দার পেছনের দৃশ্য, খেলোয়াড়দের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করা ছাড়াও বিশেষ কিছু সামগ্রী পাবে। বিশ্বব্যাপী বড় বড় টিকটক সেলিব্রিটি ও নির্মাতারা (কন্টেন্ট ক্রিয়েটর) এই ইভেন্টের অংশ হবেন।
নারী বিশ্বকাপে টিকটকের সঙ্গে অংশীদারিত্ব দারুণ কার্যকর হয়েছে। টিকটকের মাধ্যমে কোটি কোটি ভিউ এসেছে। এর মূল কারণ টিকটক ভিডিওগুলো সাধারণত সংক্ষিপ্ত আকারের হয়ে থাকে।
ফিফা মনে করছে, টিকটকের এই সহযোগিতা ফুটবলকে আরও বেশি মানুষের কাছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করছে। টিকটক প্ল্যাটফর্ম থেকে শর্ট ভিডিও এবং ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ফুটবলের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
