পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে দলের প্রয়োজনে তাওহীদ হৃদয়ের সব পজিশনের জন্যই প্রস্তুত থাকতে হয় । অবশ্য এবারের বিপিএলে এবার শুরুটা ভালো হয়নি তাওহীদ হৃদয়ের। তবে ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তন করেই সাফল্য পাচ্ছেন তিনি। গত রোববার নোয়াখালীর বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ৬৩ বলে ১৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ক্যারিয়ার সেরা ১০৯ রান করেন।
দলের ৮ উইকেটে জয়ের পর ম্যাচ সেরা হয়ে সংবাদ সম্মেলনে সেঞ্চুরির নিয়ে হৃদয় বলেন,
এবার দিয়ে বিপিএলে দুইটা সেঞ্চুরি পেলাম। ভালো লাগছে, কারণ সেঞ্চুরি করে দুইটা ম্যাচেই জিতাতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। সব থেকে ভালো লাগে যে, যখন টিমকে জিতানো যায়। এটাই সব চেয়ে প্রাউড মোমেন্ট।
এছাড়া হৃদয় বলেন,
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা এমনই যে, সব ম্যাচেই রান হবে না। ওপেনিংয়ে আর মিডেল অর্ডারের রোলটা আলাদা থাকে। হয়তো বা মিডেল অর্ডার ২৫, ৩০, ১৫, ২০ একটা ইম্প্যাক্টফুল ইনিংস খেলে যারা মিডেলে খেলে। আমি মনে করি টপ অর্ডার থেকে যারাই যখনই ব্যাটিং করবে টিমের জন্য যতটুকু কন্ট্রিবিউট করা যায়।
জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ওপেনিংয়ে কোন ভাবনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে,
প্রফেশনাল প্লেয়ার হিসেবে সব জায়গায় খেলার অভ্যাস রাখা উচিত এবং সব জায়গায় কিভাবে অ্যাডাপ্ট করা যায় এটা খুব ইম্পর্টেন্ট। অনেক বড় বড় প্লেয়ারও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বিশেষ করে আপ ডাউন করেই। দল থেকে যখন আমাকে এই সুযোগ দিয়েছে, আমি বলেছি যে আমার কোনো প্রবলেম নেই।
এছাড়া হৃদয় বলেন, ‘জাতীয় দল নিয়ে তো কিছু বলতে পারব না। বিপিএল আর জাতীয় দল ভিন্ন। জাতীয় দলে অনেক টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান আছে। তারা লাস্ট এক বছর ভালো করে এসেছে। আমি মনে করি না যে এই জায়গাটা এই মুহূর্তে, এটা আমার চিন্তাভাবনা, টিম কি চিন্তা করছে জানি না। যারা এতদিন ভালো করে এসেছে তাদের উপর অবশ্যই বিশ্বাসটা রাখা উচিত এবং আমি চাইব যে তারা আমাদের দেশকে ভালোভাবে রিপ্রেজেন্ট করুক সামনের দিকে।
এছাড়া নিজের ব্যাটিং নিয়ে তাওহীদ হৃদয় বলেন,‘ আমি ওভাবে চিন্তা করিনি। ওপেন জিনিসটা আমি লাস্ট কয়েক বছর করছি বিপিএলে। মিডেলেও খেলেছি, উপরেও খেলেছি। প্ল্যান থাকেই একটাই যে আমি যখনই যেখানেই অপরচুনিটি পাব, টিমকে যতটুকু পারব কন্ট্রিবিউট করার জন্য।
