আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করলেন

আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করলেন

আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করলেন, ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অস্থিরতা কমছেই না। আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করলেন। আজ বিসিবি সভা শেষে জানা যায়, সরে দাঁড়িয়েছেন ফাইয়াজুর রহমান মিতু ও শাহনিয়ান তানিম।

আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করার আগেই আরেকজন বিদায় নিয়েছেন সেটি জানা যায়।  আজ বোর্ড সভার আগেই অবশ্য ফাইয়াজুর রহমান সরে গেছেন। আর সভার পর শাহনিয়ান ও মেহরাব আলমের পদত্যাগ করার বিষয়টি জানা যায়।

বিসিবির সর্বশষ নির্বাচন নিয়ে আছে অনেক আলোচনা। পক্ষে-বিপক্ষে আছে নানা অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে যখন বিতর্ক, এর মাঝেই আবার মাঠের ক্রিকেট নিয়েও সেভাবে এগোতে পারছে না বিসিবি। যারা নির্বাচিত বোর্ড পরিচালক, তাদের মধ্যেই পারস্পরিক সামঞ্জস্যতা নেই কাজে।  

প্রতিনিয়তই বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে জোরালো আলোচনা চলছে।  ফলে নতুন করে অস্থিতিশীলতা বেড়েছে । একের পর এক পরিচালক পদত্যাগ করছেন। শনিবার বোর্ড মিটিং শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগপত্র দিয়ে বিসিবি ছাড়েন ফাইয়াজুর রহমান। এরপর বোর্ড সভা শেষে বিসিবির আরও দুই পরিচালক শাহনিয়ান তানিম এবং মেহরাব আলম পদত্যাগ করেছেন।

শাহনিয়ান তানিম ফ্যাসিলিটিজ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। অন্যদিকে, বিসিবির সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেহরাব। বিসিবির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘শানিয়ান ও মেহরাব পদত্যাগ করেছেন অজানা কারণে, আর মিতু (ফাইয়াজুর) ব্যক্তিগত কারণে পদ ছাড়ছেন।’

আরও দুই পরিচালক পদত্যাগ করায় বিসিবি সংকটে

সবার আগে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ান ইশতিয়াক সাদেক। তারপর পদত্যাগ করেন পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তিনি সরে না যেতেই পদত্যাগ করেন আরেক পরিচালক ইয়াসির ফয়সাল। আজ তিনজন পদত্যাগ করলেন। সব মিলিয়ে পদত্যাগ করা পরিচালকদের সংখ্যাটা ছয়জনে গিয়ে ঠেকেছে!

বিসিবিতে পরিচালক কমেছে, ছবি : সংগৃহীত

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড থেকে ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা বাড়েনি। উল্টো লিগই মাঠে নো গড়ানোর শংকা আছে। এসব কারণে বুলবুল নিজেও আছেন বেশ চাপে। এর মধ্যে আবার পরিচালকের সংখ্যা কমলে কোনো কাজই ঠিকভাবে করা সম্ভব হবে না।

সবশেষ বিসিবি নির্বাচন ঠিকঠাক মতো হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও প্রশ্ন আছে। তাই বুলবুল নিজেই আছেন চাপে। এর মধ্যে পরিচালক কমে গেলে তিনিও বেশিদিন টিকতে পারবেন না। এখন দেখার অপেক্ষা বুলবুল ও তার টিকে থাকা বোর্ড কী সিদ্ধান্ত নেয়।

Exit mobile version