ঘরের মাঠে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষদিকে দুর্দান্ত ধারাবাহিক পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে দারুণ এক স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের সাঞ্জু স্যামসন। এবার ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় ওপেনার। এছাড়া মার্চের সেরা নারী ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন নিউজিল্যান্ড তারকা অলরাউন্ডার অ্যামেলিয়া কার।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি গত মাসের সেরা নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেছে। এছাড়া সতীর্থ জাসপ্রিত বুমরাহ ও দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান কনর এস্তেহেইজেনকে হারিয়ে এই সম্মাননা পেয়েছেন স্যামসন। এই প্রথম মাস সেরার পুরস্কার জিতলেন তিনি।
মেয়েদের সেরার লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার বেথ মুনি ও দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার আয়াবঙ্গা খাকাকে পেছনে ফেলেছেন কার। ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে বড় অবদান রাখেন এই স্যামসন। গত মাসে খেলা দলের শেষ তিন ম্যাচেই আশি ছোঁয়া ইনিংস খেলে জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে রূপ দেওয়া সুপার এইটের ম্যাচে ৯৭ অপরাজিত ইনিংস খেলে ভারতকে শেষ চারে তোলেন এই কিপার-ব্যাটসম্যান।
বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ও ফাইনালেও হাসে স্যামসনের ব্যাট। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার ম্যাচে ৮৯ রান করেন তিনি। আর শিরোপার মঞ্চে নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের গুঁড়িয়ে করেন ঠিক ৮৯ রান।
ইতিহাসের প্রথম দল হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখা ভারতের একাদশে শুরুতে জায়গা হয়নি স্যামসনের। পরে শেষ দিকে তাকে ফেরায় দল। দারুণ সব ইনিংসে দলকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
আসরে পাঁচ ইনিংসে ৩২১ রান করে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতে নেন স্যামসন। বিশ্বকাপ সেরা একাদশেও জায়গা হয় তার। এবার পেলেন মাস সেরার স্বীকৃতিও। নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কার গত মাসে ব্যাটে-বলে ছিলেন উজ্জ্বল। চার ওয়ানডে খেলে ৭৮.৫৭ স্ট্রাইক রেটে ১৭৬ রান করেন তিনি। সঙ্গে লেগ স্পিনে ওভার প্রতি স্রেফ ৩.৭৭ রান দিয়ে নেন ১৮ উইকেট। জিম্বাবুয়েকে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার পথে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জেতেন সিরিজ সেরার পুরস্কার।
শুধু তাই নয়, গত মাসে ছয়টি টি-টোয়েন্টিও খেলেন কার। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারানোর পথে ১৫৮.৬২ স্ট্রাইক রেটে ২৭৬ রান করেন তিনি। সঙ্গে বল হাতে ধরেন ছয় শিকার।
